৬ শ্রাবণ  ১৪২৬  সোমবার ২২ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের উত্তাল সমুদ্রে সার্ফিং করতে নেমেছিলেন অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় এক জার্মান যুবক৷ সামলাতে না পেরে ডুবেই যাচ্ছিলেন৷ কিন্তু বরাতজোরে জীবন রক্ষা পেল৷ থুড়ি, বরাতজোর নয়, জিনসজোরে৷ বছর তিরিশের জার্মান যুবকের এই প্রাণে বাঁচার কাহিনীই এখন নেটিজেনদের মুখে মুখে ঘুরছে৷ কেমন সেই গল্প?

নিউজিল্যান্ডের টোলাগা সৈকত৷ এখানকার সমুদ্র সাধারণত উত্তালই থাকে৷ সেসব জেনেবুঝেই ভাইকে নিয়ে সার্ফিং করতে নেমেছিলেন তিরিশ বছরের জার্মান যুবক আরনে মুরকে৷ আচমকা একটা বিশাল ঢেউয়ে তার জলযানটি বিশাল উঁচুতে উঠে যায়৷ ভাই ছিটকে পড়ে যায়৷ ব্যালেন্স হারিয়ে একেবারে আতান্তরে পড়েন মুরকে৷ লাইফ জ্যাকেটটিও খুঁজে পাচ্ছিলেন না৷ কীভাবে প্রাণে বাঁচবেন ওই বিধ্বংসী ঢেউয়ের আঘাত থেকে, ভেবেই অর্ধেক শক্তি হারিয়ে ফেলছিলেন৷ কিন্তু তারপর বিদ্যুৎ চমকের মতো মাথায় খেলে যায় বুদ্ধি৷ কোনওক্রমে জিনস খুলে নিজের পায়ের সঙ্গে বেঁধে দেন৷ ব্যস! অর্ধেক কাজ এখানেই হয়ে গেল৷ জিনসের ভারে ভেসে রইলেন মুরকে৷ নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড পত্রিকাকে সাক্ষাৎকারে মুরকে জানান, ‘ভাগ্যক্রমে জিনসের ট্রিকটা আমার মাথায় খেলে৷ এই জিনস ছাড়া আমি আজ এখানে থাকতাম না৷ জলে তলিয়ে যেতাম৷ এটাই সেই জিনস, যা আমাকে বাঁচিয়েছে৷’ 

jeans into sea

[ব্যাংক ব্যালেন্স দেখে চুরির টাকা মহিলাকে ফিরিয়ে দিল চোর!]

আসলে জিনসে পা বেঁধে মুরকে জল এবং হাওয়ার চাপের ভারসাম্য বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন৷ এভাবেই তিনি সাড়ে তিনঘণ্টা ভেসে ছিলেন ভাঙা জলযানটি নিয়ে৷ খবর পেয়ে টোলাগার কাছে পৌঁছতে উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারের এতটাই সময় লেগেছিল৷ উদ্ধারকারী দলের প্রধান জনসংযোগ আধিকারিক ক্রিস হেনশ বলেন, ‘মুরকের জলযানটিতে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে যোগাযোগের ব্যবস্থা ছিল এবং লাল আলোও কাজ করছিল৷ তাই উত্তাল সমুদ্রে তাঁকে চিহ্নিত করে উদ্ধার করতে আমাদের সুবিধা হয়েছে৷’ এভাবে জিনসের জোরে মুরকের বেঁচে ফেরার গল্প নেটদুনিয়ায় ভাইরাল৷ সকলে এনিয়ে আলোচনা শুরু করেছে৷ বিপদে মাথা ঠান্ডা রাখলে, উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগালে উদ্ধার পাওয়া যে নিশ্চিত, তা ফের বোঝালেন এই জার্মান যুবক৷

[মার্জার সমাজের কলঙ্ক ঘুচিয়ে মাছ পাহারার দায়িত্বে নির্লোভ বিড়াল!]

নিউজিল্যান্ড প্রশাসন সূত্রে খবর, আরনে মুরকে এবং তাঁর ভাই নিউজিল্যান্ডে বেড়াতে গিয়েছিলেন৷ মূল লক্ষ্য ছিল, ওয়াটার সার্ফিং৷ তবে সার্ফিংয়ে তাঁদের দক্ষতার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে একটা জিনসের দৌলতে৷ তাই নিউজিল্যান্ড থেকে ব্রাজিল যাওয়ার জন্য ‘ওয়াহু’ নামে একটি ইয়াশট অর্থাৎ সার্ফিংয়ের জন্য জলযান উপহার দিয়েছে৷ ভাগ্যিস জিনসজোড়া ছিল, তাই নিজের জীবন তো বাঁচাতে পারলেনই মুরকে৷ মিলল উপহারও৷ সত্যি! জিনসের কী মহিমা৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং