Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬

কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের ‘পাশে’ নেই চিন

ইসলামাবাদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছে বেজিং।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭, ০৪:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭, ০৪:২২

options
link
কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের ‘পাশে’ নেই চিন zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন খোদ পাক প্রধানমন্ত্রী শাহিদ আব্বাসি। কিন্তু, সেই চেষ্টা সফল হয়নি। উলটে পাকিস্তানকে কার্যত তুলোধোনা করেছে ভারত। আর এবার কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে বার্তা দিল ‘বন্ধু দেশ’ চিনও। বেজিং জানিয়েছে, কাশ্মীর সমস্যার আন্তর্জাতিকীরণের চেষ্টায় ইসলামাবাদের পাশে নেই তারা। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

[পাকিস্তানকে ‘জঙ্গিস্তান’ বলে রাষ্ট্রসংঘে আক্রমণ ভারতের]

Advertisement

সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে দুনিয়ায় ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছে পাকিস্তান। আর এই বিপদের সময়ে চিনও যে আর পাকিস্তানকে সমর্থন করতে রাজি নয়, দিন কয়েক আগেই ব্রিকসের সম্মেলনেই তা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। পাকিস্তানে মাটিকে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনের কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছিল ব্রিকসের সদস্য দেশগুলি। সে বিবৃতিতে সমর্থন জানিয়েছিল চিনও। পুরানো বন্ধুর ভোলবদলে উদ্বেগ বেড়েছে পাকিস্তানের। ব্রিকস সম্মেলনের পরই চিনে গিয়েছিলেন খোদ পাক বিদেশমন্ত্রী। সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে চিনকে অবস্থান বদল না করার অনুরোধ জানান তিনি। কিন্তু, তাতে আখেরে কোনও লাভই হল না। বরং রাষ্ট্রসংঘের নির্দেশিকা কাশ্মীরে বলবৎ করার প্রশ্নে পাক প্রধানমন্ত্রীর দাবি খারিজ করে দিল চিন। চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র লু কাঙ জানিয়েছেন, কাশ্মীর নিয়ে চিনের অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশার কোনও অবকাশ নেই। চিন আশা করে, ভারত ও পাকিস্তানকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা ও যোগাযোগ বাড়িয়ে কাশ্মীর সমস্যা মিটিয়ে ফেলবে। এলাকায় যাতে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় থাকে, তাও নিশ্চিত করতে হবে।

[রাষ্ট্রসংঘে ইসলামাবাদের জারিজুরি একাই শেষ করলেন এই ভারতীয় নারী]

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাষ্টসংঘের সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কাশ্মীরের বিশেষ দূত নিয়োগ করার দাবি তুলেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহিদ আব্বাসি। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কাশ্মীরে সাধারণ মানুষের ‘লড়াই’-কে আটকাতে ‘দমনপীড়ন’ চালাচ্ছে ভারত। এর জবাব দিতে গিয়ে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তানে পালটা তুলোধোনা করে ভারতও। ‘জঙ্গিস্থান’ বলে পাকিস্তানকে নজিরবিহীন আক্রমণ করেন রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ভারতীয় সচিব এনাম গম্ভীর।

[হিন্দুদের হত্যা করে ‘মুক্ত’ হিন্দুস্থানের হুঙ্কার জাকির মুসার]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.