২৮ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উনের সৎভাই কিম জং নাম মার্কিন যুক্তরাষ্টের চর ছিলেন। এই চাঞ্চল্যকর দাবি আমেরিকার একটি শীর্ষ পত্রিকা ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর। 

[আরও পড়ুন: চিনের বিরুদ্ধে জেহাদ, হংকংয়ে আরও তীব্র সরকার বিরোধী আন্দোলন]

এক প্রতিবেদনে মার্কিন পত্রিকাটি দাবি করেছে, মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা ‘সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি-র (সিআইএ) হয়ে কাজ করতেন কিম জং নাম। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মাসে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে হত্যা করা হয়। পত্রিকাটির দাবি, কিম জং নাম সিআইএর গোয়েন্দাদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার দেখা করেছেন। তিনি সিআইএর কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্যই মূলত ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে মালয়েশিয়া ভ্রমণ করেন। ওই সময় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঠান্ডা লড়াইয়ের আমলে ব্যবহিত ‘নার্ভ গ্যাস’ প্রয়োগ করে তাঁকে গুপ্তহত্যা করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকা এই ঘটনার পর দাবি করে, উত্তর কোরিয়া এই হত্যা করিয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দেয় পিয়ংইয়ং। এই ঘটনায় মালয়েশিয়া দুই তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছিল। তাঁদের একজন ভিয়েতনামের নাগরিক সিতি আইসয়া ও আরেকজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক ডওয়ান থি হুয়াং। কিম জং নামকে খুন করার অভিযোগ আনা হয় তাঁদের বিরুদ্ধে।   তবে গত মার্চ মাসে মুক্তি দেওয়া হয় সিতিকে। 

উল্লেখ্য, কিম জং নাম এবং কিম জং উন দুজনই প্রাক্তন উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং ইলের সন্তান। তবে তাঁদের মায়ের পরিচয় আলাদা। দেশের বাইরেই বেশিরভাগ সময় কাটাতেন নাম। বড় ছেলে হিসেবে ইলের পর তাঁরই ক্ষমতাই আসার কথা ছিল।   তবে ২০০১ সালে তিনি পাসপোর্ট নকল করে জাপানের ডিজনিল্যান্ডে যাওয়ার চেষ্টা করে ধরা পড়েন এবং জাপান তাঁকে বহিষ্কার করে। এরপরই বাবা ইলের বিরাগভাজন হন তিনি এবং ২০০৩ সালে উত্তর কোরিয়া তাঁকে নির্বাসিত করে। এরপর ২০১০ সালে উত্তরসূরি ঘোষণা করা হয় উনকে এবং ২০১১ সালে ইলের মৃত্যুর পর উন ক্ষমতায় আসেন। সেই থেকে তিনি কিম বংশের একজন কড়া সমালোচক হন জং-নাম। অভিযোগ, অনেক আগেই সৎ ভাইকে খুন করার গোপন নির্দেশ দিয়েছিলেন কিম জং উন৷ ২০১২ সালেও কিম জং নামকে হত্যা করার চেষ্টা হয়েছিল৷ তবে সেবারে প্রাণে বেঁচে যান নাম। ২০১৭ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে নামের মুখে বিষাক্ত জল ছিটিয়ে দেন অভিযুক্ত সিতি আইসয়া ও তাঁর সঙ্গী ডওয়ান থি হুয়াং। ওই জলেই ছিল মারাত্মক নার্ভ এজেন্ট। যার ফলে প্রাণ হারান নাম। যদিও পেশায় ‘প্র্যাঙ্ক স্টার’ ওই মহিলা জেরায় জানান, নামের মুখে নিছক মজা করেই সেই জল ছিটিয়েছিলেন তিনি৷ তাঁরা সম্পূর্ণই নির্দোষ। জলে বিষ ছিল বলে মোটেও জানতেন না তিনি।           

[আরও পড়ুন: লন্ডনের রাস্তায় কুপিয়ে খুন অন্তঃসত্ত্বাকে, ঘটনাস্থলেই জন্ম সন্তানের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং