সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথম মার্কিন (US) শহর হিসাবে জাতপাতের ভেদাভেদকে (Caste Discrimination) নিষিদ্ধ করেছে সিয়াটল। তৈরি হয়েছে ইতিহাস। আর এই আইন যিনি লিপিবদ্ধ করেছেন তিনি এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তাঁর নাম ক্ষমা সাওয়ান্ত। উচ্চ বর্ণের হিন্দু ইন্দো-মার্কিন এই রাজনীতিবিদ সিয়াটল সিটি কাউন্সিলের একমাত্র সদস্য যাঁর শিকড় ভারতে।
একদা ভারতের বাসিন্দা ক্ষমার জন্ম এক ব্রাহ্মণ পরিবারে। খুব ছোটবেলা থেকেই বৈষম্যের কালো দিকটি তাঁর চোখে পড়ে যায়। মাত্র ৬ বছর বয়সে তিনি দেখতে পান তাঁর পছন্দের এক মানুষ তথাকথিত নিচু জাতের এক কাজের লোককে গালাগালি দিয়ে ডাকছেন। কেন এমন আচরণ প্রশ্ন করলে দাদুর ধমক শুনতে হয়েছিল, ”বড্ড কথা বলো।”
[আরও পড়ুন: আমজনতার উপর বাড়তি শুল্কের বোঝা, এবার কাশ্মীরে চালু হচ্ছে সম্পত্তি কর]
পেশাগত ভাবে ক্ষমা কিন্তু রাজনীতিবিদ নন। তিনি শিক্ষিকা, সমাজকর্মী, উদ্যোক্তা। কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করার পর আমেরিকায় আসেন অর্থনীতি পড়তে। উদ্দেশ্য ছিল, দারিদ্রের রূপরেখাকে বোঝা। আর তারপরই তিনি চমকে ওঠেন বিশ্বের ধনীতম শহরে কীভাবে শিকড় গেড়েছে বৈষম্য।
সিয়াটলে প্রাথমিক ভাবে কলেজ শিক্ষিকা হিসেবে পড়ানো শুরু করেন ক্ষমা। কিন্তু ২০০৬ সালে সমাজকর্মী হয়ে যান তিনি। পরে ১৬ বছরের এক ডেমোক্র্যাটকে হারিয়ে সিয়াটল সিটি কাউন্সিলের সদস্য হন। আর এবার তিনিই প্রস্তাব এনেছিলেন জাতপাতের ভেদাভেদকে নিষিদ্ধ করার। ৬-১ ভোটে কাউন্সিলে পাশ হয় এই প্রস্তাব। দেশের নানা প্রান্তে এই নয়া নির্দেশিকা ছড়িয়ে দিতে চায় সিয়াটলের (Seattle) স্থানীয় প্রশাসন।
[আরও পড়ুন: ব্যক্তিগত ছবি ফাঁস ঘিরে দুই আমলার লড়াই! ‘লেডি সিংহমে’র বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের]
সর্বশেষ খবর
-
নিউ আলিপুর থানার সামনে উত্তেজনা, স্বরূপ অনুগামীদের মার ক্রুদ্ধ জনতার, নামল বাহিনী
-
বৈভবকে নিয়ে আলোচনা বিলেতেও, অন্য দুই দেশের টেস্টেও উঠল ভারতীয় দলে নেওয়ার দাবি
-
‘ববিদাকে ফোন করব’, ফিরহাদের পদত্যাগের পরই জল্পনা বাড়ালেন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত
-
‘ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কচি নয়’, স্বরূপের শ্লীলতাহানি মামলায় রূপার নিশানায় কারা? কী বলছেন স্বপন দাশগুপ্ত?
-
দিল্লি দরবারে বৈঠক শেষে ‘খুশি’ মনে রাজ্যে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী, আজ রাতেই দপ্তর বণ্টন!