Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে ভয়াবহ ভূমিধস, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

নিখোঁজ বহু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০১৭, ১৭:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০১৭, ১৭:১৬

options
link
বাংলাদেশে ভয়াবহ ভূমিধস, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: প্রবল বর্ষা ও ভূমিধসে বাংলাদেশে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৩৩ জনের। বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। এদের মধ্যে ৬ জন সেনানি রয়েছেন। সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলা। জানা গিয়েছে, চট্টগ্রামের চন্দনাইশে ৩০ জন, রাঙ্গামাটির সদর উপজেলা ও কাপ্তাইয়ে ৮৮ জন এবং বান্দরবানের সদরে ৭ জন নিহত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন।

সোমবার চন্দনাইশের শামুকছড়িতে পাহাড় ধসে ১ শিশু এবং ছনবনিয়ায় ৩ জন নিহত হয়। রাঙামাটিতে দু’দিনের টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নয় জনের মৃতদেহ রাঙামাটি সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[উপার্জনের অঙ্কে শাহরুখ, সলমনের সঙ্গে ‘ফোর্বস’ তালিকায় ঠাঁই অক্ষয়েরও]

এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোরার আঘাতে মহেশখালির পাঁচ ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ৫৩ মৎস্যজীবীর এখনও পর্যন্ত কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। গতমাসের ২৭ তারিখ ছয়টি ট্রলার নিয়ে প্রায় ১৪৬ জন মৎস্যজীবী মহেশখালি থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সমুদ্রে যান। ফিরে আসার সময় প্রবল ঝড়ের কবলে পড়ে গুলিধার নামক স্থানে ৩০ মে ভোর রাতে ছয়টি ট্রলারের মধ্যে পাঁচটি ডুবে যায়। ওই ঘটনার পর সোনাদিয়া চ্যানেল-সহ বিভিন্ন উপকূল থেকে ৬৪ জনকে উদ্ধার করা গেলেও নিখোঁজ রয়েছেন ৫৩ জন।

অন্যদিকে, চলতি বছরের জুলাই মাস থেকেই শুরু হতে চলেছে বহু প্রতিক্ষিত ভারত-বাংলা মৈত্রী সেতুর কাজ। ফেনী নদীর ওপর এই সেতু তৈরি হবে। বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় থেকে দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুমের ডৌলবাড়ি পর্যন্ত ৪১২ মিটার দূরত্ব এই সেতুর মাধ্যমে যুক্ত হবে। সেতু নির্মাণের সমস্ত খরচ বহন করছে ভারত। এই সেতু নির্মিত হলে ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই উপকৃত হবে। ত্রিপুরার অর্থনৈতিক চেহারাই বদলে যাবে। উত্তর-পূর্ব ভারতের গেটওয়ে হবে ত্রিপুরা বলে মনে করা হচ্ছে। তিস্তা নিয়ে কিছুটা মন কষাকষি হলেও এই সেতুটি দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও জোড়াল করে তুলবে।

[পুজো পরিক্রমাতে সুযোগ মিলবে মারাদোনা দর্শনেরও]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.