সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রেম, বিচ্ছেদ। এ যেন একে অপরের হাত ধরাধরি করে আসে। মুহূর্তের মধ্যে হৃদয় ভেঙে খানখান। অনেকেই এই পর্ব কাটিয়ে উঠতে পারেন না। তাদের মন ভাল করার ওষুধ হতে পারে ভিয়েতনামের এই বাজার। যে বাজারের পণ্য প্রাক্তনকের থেকে পাওয়া উপহার। এই যেমন পারফিউম, বই, শোপিস। অতীতকে ভুলতে এখানকার বিক্রেতাদের মনোভাব যেন যাক যা গেছেই তা যাক।
[আধার-মোবাইল লিঙ্ক নিয়ে এখনই জেনে রাখুন এই ১০ জরুরি তথ্য]
ভিয়েতনামের ওল্ড ফ্লেমস মার্কেটে এখন দুনিয়ার কাছে আলোচনার বিষয়। ফুক থুই ভগ্নহৃদয়ের সাক্ষী এমন এক যুবক । তাঁর কথায়, ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর থেকে আমি খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলাম। কিন্তু পরে বুঝতে পারি অতীত, অতীতই। তা নিয়ে পড়ে থাকলে চলে না। পুরনোকে ভুলতে ফুকে প্রাক্তন প্রেমিকার থেকে পাওয়া জামা, মানিব্যাগ এমনকী টুথপেস্টও বিক্রি করতে এসেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে এই বাজার চালু হওয়ার পর বিক্রিবাটাও মন্দ হচ্ছে না। ক্রেতারা তাদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী এই বিশেষ বাজার থেকে পেয়ে যাচ্ছে। কেউ হয়তো এখান থেকেই মনের মানুষের জন্য কিছু জমিয়ে রাখছে। সাধারণের এমন আগ্রহ দেখে বেজায় খুশি ডিং থ্যাং। গিটারে সুর তুলেছিলেন এই যুবা। তাঁর কথায়, বর্তমান প্রজন্ম অনেক বড় হৃদয়ের। নিজেদের সুখ-দুঃখের কথা চেপে রাখে না। এভাবে তাদের যন্ত্রণা ভোলার রাস্তা মিলেছে।
[ভাঙা কাচের বোতল গলায় ঢুকিয়ে প্রেমিকাকে খুনের চেষ্টা, ধৃত যুবক]
এমন বিকিকিনির আসর বসানোর পরিকল্পনা ডিংয়ের। নিজে ব্রেক-আপের ধাক্কা খেয়েছেন। বোঝেন অন্যদের মানসিক অবস্থা। ডিং বলছনে হীনমন্যতা কাটিয়ে গর্বের সঙ্গে প্রেমিকাকে দেওয়া চিঠি সামনে আনেন এখানকার ছেলেরা। তারা বুঝেছে এগুলো যন্ত্রণার স্মারক নয়, এর ব্যবহারিক মূল্য অনেকটাই। এমন সাড়া বুঝে আগামী বছর ভিয়েতনামের রাজধানী হো চি মিন শহর এধরনের বাজার বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে তথাকথিত এই ব্যর্থ প্রেমিকের। এই বিপণিতে চিঠি লেখারও ব্যবস্থা রয়েছে। অবশ্যই সেটি প্রাক্তনের উদ্দেশ্যে নয়। সেখানে একজন লিখে যান, সে প্রেমিকাদের জন্য দুঃখিত। কারণ সে বুঝতে পেরেছি তারা একে অপরকে চিনতে পারিনি। অন্য একজন লেখেন আমি বেশ আছি। সম্পর্কের দাঁড়ি পড়ে যাওয়া থেকে যে একটা ট্যাবু রয়েছে তা খানিকটা ভেঙেছে। কয়েক দশক আগে পর্যন্ত কমিউনিস্ট শাসিত দেশটি সম্বন্ধ করে বিয়েও ছিল দস্তুর। তবে সময় বদলের সঙ্গে প্রেমেই ভরসা রাখছে নতুন প্রজন্ম। ডেটিংয়ের জোর দিচ্ছে। সমান তালে হচ্ছে ভাঙন। বুই মান টিয়েন নামে রাষ্ট্রসংঘের এক কর্মী বলছেন এখন অনলাইনে প্রেম, ডেটিংয়ের যুগ। তাই সম্পর্ক ভেঙেও যাচ্ছে। বিয়ের আগে বিবাহপরবর্তী জীবনের স্বাদ পেতে চাইছেন অনেকে। তার ফলে এমন ছন্দপতন।
সর্বশেষ খবর
-
চার্জে বসানো পাওয়ার ব্যাঙ্ক ফেটে পুড়ল ইউটিউবারের ঘর, জেনে নিন কীভাবে সাবধান হবেন
-
সিনেমা ও ওটিটি’র কনটেন্ট চুরি! কেন্দ্রের রোষে টেলিগ্রাম, ১৫ দিনের মধ্যে জবাব তলব
-
প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডির কার্যালয়ে তরোয়াল! উদ্ধার লাঠির বান্ডিল, কাঁড়ি কাঁড়ি ত্রিপল
-
পুণে হত্যা কাণ্ডে এবার নজরে সিয়ার ‘বন্ধু’! ‘বিয়ে হবেই না’, ভাইরাল চ্যাট ঘিরে রহস্য
-
পরকীয়ার টান! তিন সন্তানকে ঘরে রেখে মোয়াজ্জিনের হাত ধরে পালালেন বাংলাদেশি মহিলা