Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
hanta virus

করোনার পর এবার হান্টা, অজানা ভাইরাসের প্রকোপে চিনে মৃত ১

এই ঘটনার কথা শুনে চিনের বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন নেটিজেনরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২০, ১৮:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২০, ১৮:৪১

options
link
করোনার পর এবার হান্টা, অজানা ভাইরাসের প্রকোপে চিনে মৃত ১ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই ফের নতুন এক ভাইরাসের কবলে পড়ল চিন। হান্টা (hanta virus) নামে ভয়ংকর ওই ভাইরাসের প্রকোপে মৃত্যু হল আবার ইউহানেরই এক নাগরিকের। এই খবর জানাজানি হওয়ার পর প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা বিশ্বে। মূলত ইঁদুর ও কাঠবেড়ালি খাওয়ার জন্যই এই ভাইরাস ছড়িয়েছে বলে সূত্রের খবর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার চিনের শানডং প্রদেশ থেকে বাস করে বাড়ি ফিরছিলেন ইউহানের এক ব্যক্তি। মাঝ রাস্তাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে শারীরিক পরীক্ষার পরে তাঁর দেহে হান্টা নামে ওই ভয়ংকর ভাইরাসের সন্ধান মেলে। এরপরই ওই বাসে থাকা ৩২ যাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তার রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘করোনা আমাদের দিয়েছে একাকীত্ব, বিষণ্ণতা’, বলছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বঙ্গকন্যা ]

 

চিনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন সূত্রে খবর, এই ভাইরাসটি নোভেল করোনার মতোই বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে না। আক্রান্ত রোগীর মূত্র ও মল এবং ইঁদুরের লালা থেকেই সংক্রমিত হয়। মূলত ইঁদুর ও কাঠবেড়ালি খাওয়ার ফলেই মানুষের শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এই রোগে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার ৩৮ শতাংশ। এই রোগে আক্রান্তদের হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম (HPS) ও রেনাল সিনড্রোমের সঙ্গে জ্বরও হবে। শারীরিক ক্লান্তি, জ্বর এবং মাংসপেশীতে ব্যথা-সহ মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ঠান্ডা লাগা এবং পেটের সমস্যাতেও ভুগবেন তিনি। তারপরেও যদি কোনও চিকিৎসা না করা হয় তাহলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা ও প্রচণ্ড কাশি শুরু হবে।

[আরও পড়ুন: আইসোলেশনে বয়স্করা, খাবার বাড়িতে পৌঁছে দিতে এগিয়ে এল মার্কিন শিখ সম্প্রদায়]

 

এদিকে নতুন এই ভাইরাসের কথা শোনার পরেই চিনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন নেটিজেনরা। তাঁদের কারও কারও অভিযোগ, ভয়ংকর সব জৈব মারণাস্ত্র নিয়ে গবেষণা করছিল চিন। সেখানে কোনও গন্ডগোল হওয়ার কারণেই একের পর এক মারণ ভাইরাস গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে। অবিলম্বে গোটা বিশ্বের একজোট হয়ে চিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অনেকে আবার চিনের নাগরিকদের খাদ্যাভ্যাসের সমালোচনা করেছেন। তাঁদের ইঁদুর-বাদুড় খাওয়ার জেরেই ভয়ানক ভাইরাসের আর্বিভাব হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.