সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইসলাম ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থকে অপবিত্র করার অভিযোগ। শাস্তিস্বরূপ অভিযুক্তকে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা হল পাকিস্তানে। ছিনিয়ে নেওয়া পুলিশের হাত থেকে। তার পরই নৃশংসভাবে খুন করা হয় অভিযুক্তকে।
শনিবার রাতে লাহোরের খানেওয়াল জেলার জঙ্গল ডেরা গ্রামে নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এক মধ্যবয়স্ক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরাণকে অসম্মানের অভিযোগ ওঠে। ওই এলাকায় কবর ছড়িয়ে পড়ে যে অভিযুক্ত পবিত্র ধর্ণগ্রন্থের পাতা ছিঁড়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন। তার পরই তার বাড়ি ঘিরে ফেলে উন্মত্ত জনতা। খবর যায় স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে।
[আরও পড়ুন: ‘হিজাব পরা মহিলাই একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন’, চ্যালেঞ্জ ওয়েইসির]
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্থানীয় এসএইচও। অভিযুক্তকে নিজের হেফাজতে নেন। কিন্তু উন্মত্ত জনতা অভিযুক্তকে ছিনিয়ে নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি নিজেকে নির্দোষ বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন বহুবার। কিন্তু তার কথা কেউ কানে তোলেনি। অভিযোগ, ওই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে চলে ইচবৃষ্টি। ছোঁড়া হয় পাথর। পরে গণপিটুনিও দেওয়া হয়। যার জেরে ঘটনাস্থলেই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী উসমান বুজদার পুলিশের রিপোর্ট তলব করেছে।
তবে ধর্মান্ধতার জেরে পিটিয়ে খুনের ঘটনা পাকিস্তানে নতুন নয়। মাস কয়েক আগে ধর্মের অপমান করার অভিযোগে শিয়ালকোটে শ্রীলঙ্কার এক ইঞ্জিনিয়ারকে পিটিয়ে খুন করে কারখানার শ্রমিকরা। এই ঘটনায় তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তার পরেও যে পাক সরকারের হুঁশ ফেরেনি তা লাহোরের ঘটনায় প্রমাণ হয়ে গেল। উল্লেখ্য, Centre for Research and Security Studies -এর রিপোর্ট বলছে, ১৯৪৭ সালের পর থেকে পাকিস্তানে এ ধরনের ১৪১৫ টি ঘটনা ঘটেছে।
[আরও পড়ুন: দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ নামল ৫০ হাজারের নিচে, ভোটপ্রচারে আরও ছাড় কমিশনের]
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক