Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Mojtaba Khamenei

‘প্রথমে রাজি হইনি, ট্রাম্পের চাপেই…’, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেও মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিশানা মোজতবার

বহু টালবাহানার পর আমেরিকা-ইরান শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। ইরান-আমেরিকার শান্তির লক্ষ্যে ১৪টি শর্তের উপর মউ স্বাক্ষর হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এবার খুলে যাবে বিশ্বের ‘তৈল ধমনী’।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২৬, ০৯:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২৬, ০৯:১৫

options
link
‘প্রথমে রাজি হইনি, ট্রাম্পের চাপেই…’, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেও মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিশানা মোজতবার zoom
শান্তিচুক্তির পর এদিন প্রথম বিবৃতি দেন মোজতবা খামেনেই।
Advertisement

বহু টালবাহানার পর বুধবার আমেরিকা-ইরান শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। শুক্রবারই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই নিশানা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। শান্তিচুক্তির পর তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া, ইরান-চুক্তি স্বাক্ষর করতে মরিয়া ছিলেন ট্রাম্প। বিষয়টি নিশ্চিত করতে আমাদের উপর সব ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত রাজি হই আমি।

শান্তিচুক্তির পর এদিন প্রথম বিবৃতি দেন মোজতবা খামেনেই। তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমেরিকার দেওয়া শর্ত অনুযায়ী চুক্তি স্বাক্ষর করতে রাজি হইনি আমি। পরে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ান এবং ইরানের নিরাপত্তা বিষয়ক সর্বোচ্চ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করি। তাঁরা দেশের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরপরেই চুক্তি স্বাক্ষর করি।” এইসঙ্গে ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়ে বলেন, “চুক্তির বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত উভয় দেশের কর্মকর্তাদের আন্তরিক উদ্বেগ ও সদিচ্ছা তো ছিলই। পাশাপাশি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট মরিয়া ছিলেন। বিষয়টির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রভাব ও কৌশল কাজে লাগান তিনি।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আগে ঠিক হয়েছিল, ১৯ জুন অর্থাৎ শুক্রবার সুইৎজারল্যান্ডের জেনেভায় আনুষ্ঠানিকভাবে সব সই-সাবুদ পর্ব সম্পন্ন হবে। উপস্থিত থাকার কথা ছিল দুই দেশের প্রতিনিধিদের। কিন্তু তার আগের দিনই সমঝোতা পত্রে সিলমোহর পড়ে। তাহলে কি জেনেভার কর্মসূচি বাতিল হবে? সেবিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। তেহরানও এই বিষয়ে কিছু স্পষ্ট করেনি। তবে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, ডিজিটাল পদ্ধতিতে সমঝোতা পত্রে কার্যকর করার অর্থ হল সুইজারল্যান্ডের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি আয়োজিত হবে না।

ইরান-আমেরিকার শান্তির লক্ষ্যে ১৪টি শর্তের উপর মউ স্বাক্ষর হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ইরান, লেবানন-সহ মধ্যপ্রাচ্যের বাকি অংশে যুদ্ধ বন্ধ হবে।

এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার জি৭ সম্মেলনের পর ফ্রান্সের প্যারিসে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের মাঝেই সমঝোতা পত্রে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, সমঝোতা পত্রে সম্মতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেইও। তিনি জানান, মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান যে চুক্তিপত্রের যে খসড়াটি পাঠিয়েছিল, তাতে দুই দেশের প্রেসিডেন্টই সম্মতি প্রকাশ করেছেন এবং তাতে স্বাক্ষর করেছেন।

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাসেরও বেশি সংঘাতের জেরে রুদ্ধ হয়েছিল হরমুজ। এর ফলে গোটা বিশ্বে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছিল। ভারতেও পৌঁছে গিয়েছিল যুদ্ধের আঁচ। শুধু তা-ই নয়, যুদ্ধের জেরে ‘স্লথ’ হয়ে গিয়েছে বিশ্ব অর্থনীতির চাকা। এই পরিস্থিতিতে এই চুক্তি অন্যতম প্রধান শর্তই ছিল হরমুজ খোলা। এখন দুই দেশই সমঝোতাপত্রে স্বাক্ষর করেছে। সুতরাং মনে করা হচ্ছে, এবার খুলে যাবে বিশ্বের ‘তৈল ধমনী’।

উল্লেখ্য, ইরান-আমেরিকার শান্তির লক্ষ্যে ১৪টি শর্তের উপর মউ স্বাক্ষর হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ইরান, লেবানন-সহ মধ্যপ্রাচ্যের বাকি অংশে যুদ্ধ বন্ধ হবে। নতুন করে কোনও যুদ্ধ হবে না সেই গ্যারান্টি দেবে ইজরায়েল ও আমেরিকা। হরমুজ থেকে অবরোধ তুলবে আমেরিকা। ইরানও হরমুজ খুলে দেবে। সরবে ইরানের জাহাজের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা। ইরানের বাজেয়াপ্ত ২৪ মিলিয়ন ডলার ফেরানো হবে। ইরানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলা হবে। ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের আশপাশ থেকে সেনা প্রত্যাহার। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না। ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চলবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.