BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মঞ্চে নাটকের সময় অভিনেতাকে কে মারল থাপ্পড়?

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: May 12, 2016 2:43 pm|    Updated: May 12, 2016 2:45 pm

An Images

ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কশায়ার শহরের ঐতিহ্যশালী নাট্য মঞ্চ হল মোরকাম্ব উইন্টার গার্ডেন্স৷ ১৮৯৭ সালে নির্মিত হয় ঐতিহ্যশালী নাটকের হলটি৷ তখন এটি পরিচিত ছিল ভিক্টোরিয়া প্যাভিলিয়ন থিয়েটার নামে৷ অনেক বিখ্যাত নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে এই মঞ্চে৷ ফ্র্যাঙ্ক ম্যাটচ্যাম, ম্যাগনাল এবং লিটলউড নামে তিন স্থপতির প্রচেষ্টায় প্রাণ পায় এই থিয়েটার হলটি৷ হলটির সুদৃশ্য বাইরের দেওয়ালটি ছিল ইট এবং টেরাকোটা নির্মিত৷ এই হলটিতে সুদৃশ্য অডিটোরিয়াম ছাড়াও ছিল বার, বলরুম, হাজার দু’য়েক লোক একসঙ্গে বসে দেখতে পারতো নাটক৷ এছাড়া ছিল সিওয়াটার বাথ নেওয়ার বন্দোবস্ত৷ কিন্তু অর্থের অভাবে ১৯৭৭ সালে বন্ধ হয়ে যায় নাটকের হলটি৷ ১৯৮২ সালে নষ্ট হয়ে যায় বলরুমটিও৷ ১৯৮৬ সালে অছি পরিষদ গঠন করে নাটকের হলটি পুননির্মাণের চেষ্টা চলছে৷ ইংল্যাল্ড মানেই রহস্য৷ শহরগুলিতে ঘুরলে মনে হয় যেন ইতিহাসের এক একটা পাতা চোখের সামনে পাল্টে পাল্টে যাচ্ছে৷ বাদ যায় না ল্যাঙ্কশায়ার শহরও৷ আর এই শহরের ঐতিহ্যশালী স্থাপত্য বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে মোরকাম্ব নাটকের হলের ছবি৷

নাটকের হলটিকে কেন বলা হয় ইংল্যান্ডের অন্যতম ভৌতিক স্থান?

haunt2

যে সব নাট্যপ্রেমী এই হলে গিয়েছেন তাঁরাই স্বীকার করেছেন কিছু একটা আছে এই নাটকের হলে বুদ্ধিতে যার ব্যাখ্যা চলে না৷ হলটি যখন চালু ছিল তখন যাঁরাই গিয়েছেন এখানে তাঁরাই বলেছেন অন্ধকার হলেই নাটকের হলটির পরিবেশ সম্পূর্ণ বদলে যায়৷ আচমকাই যেন আবহাওয়া ভারী হয়ে আসে৷ যিনি অশরীরির অস্তিত্ব মানেন না তিনিও এখানে এলে অস্বস্তি বোধ করবেন৷ তাঁরও শিরদাঁড়া দিয়ে ঠান্ডা স্রোত বয়ে যেতে বাধ্য৷ অনেকে দোতলার ব্যালকনিতে আবছা ছায়ামূর্তি দেখেছে বলে দাবি করেছে৷ হলের ফাঁকা করিডরে অদৃশ্য কেউ আবার হাত ধরেও টেনেছে৷ মঞ্চে অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীরা আবার অদৃশ্য কোন ব্যক্তির থাপ্পড়ও খেয়েছেন৷ আচমকা ঘটা ঘটনার পর তাকিয়ে দেখা গিয়েছে সব ভোঁ ভাঁ৷ কেউ কোথাও নেই৷ কেউ কেউ বলেন অডিটোরিয়ামে দেখা যেত এক অনামী নৃত্যশিল্পীর ভূতকে, খ্যাতি না পেয়ে  যার অপঘাতে মৃত্যু হয়৷ অনেকে একটি বাচ্চা ছেলের ছায়ামূর্তিও দেখেছে৷ প্যারানর্মাল অ্যাক্টিভিস্ট বা পরাবাস্তববিদরা এই নাটকের হলটিতে অনেক অদ্ভুত আওয়াজ, রহস্যজনক ছায়ামূর্তি দেখেছেন৷ তাই একসময় খ্যাতির শিখরে থাকলেও এখন এই হলটির আশপাশে যেতেও বুক কাঁপে অতি সাহসী নাট্যপ্রেমিদেরও৷ তাই যাবেন নাকি একবার নাট্যপ্রেমী ভূত দর্শন করতে?

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement