Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
UNGA 2026

‘ভারত-চিন হাত মেলাক’, বন্যাবিধ্বস্ত নেপালের দুর্দশা তুলে ধরে রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে ভারসাম্যের খেলা বলেন্দ্রর

বিধ্বংসী হড়পা বানে কার্যত মুছে গিয়েছে নেপালের একটা বড় অংশ। অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬, ১৯:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬, ১৯:১৮

options
link
‘ভারত-চিন হাত মেলাক’, বন্যাবিধ্বস্ত নেপালের দুর্দশা তুলে ধরে রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে ভারসাম্যের খেলা বলেন্দ্রর zoom
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement

বিধ্বংসী হড়পা বানে কার্যত মুছে গিয়েছে নেপালের একটা বড় অংশ। অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের। ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় (UNGA 2026) হৃদয়স্পর্শী বক্তব্য রাখলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ। জানালেন, হিমালয় পর্বত এলাকায় পরিবেশগত সমস্যা বাড়ছে এবং সেটা গোটা বিশ্বের জন্য চিন্তার কারণ। ভারত এবং চিনের সঙ্গে মিলে হিমালয়কে রক্ষা করবে নেপাল, এমন প্রস্তাবও দিয়েছেন বলেন্দ্র।

প্রধানমন্ত্রী হয়ে নেপালের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন বলেন্দ্র, এমনটাই মনে করে কূটনৈতিক মহলের একাংশ। প্রথমে আপত্তি করলেও পরে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরিতে উদ্যোগী হয়েছেন তিনি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর দুই প্রতিবেশীকে সমানভাবে ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি বলেন্দ্র। রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন, “আমাদের প্রতিবেশী ভারত এবং চিন দুর্যোগের সঙ্গে সঙ্গেই সাহায্য করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। অন্যান্য দেশ এবং বহু আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে আমরা সাহায্য পেয়েছি। আমাদের দেশে বহু জিনিস ধ্বংস হয়েছে, এবং সেটা আমাদের দোষে নয়। তবু সেসব মেরামত করার জন্য আমাদের দরিদ্র দেশকে ঋণ নিতে হবে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নেপালের মতো ভয়াবহ বিপর্যয় আগামী দিনেও আসতে পারে, ইতিমধ্যেই সেই নিয়ে সতর্ক করছেন পরিবেশবিদরা। সেই বিপদ আটকাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বার্তা দিয়েছেন বলেন্দ্র। সেখানেও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন চিন এবং ভারতকে। বলেছেন, “প্রাকৃতিক বিপর্যয় তো মানচিত্র দেখে হয় না। বন্যা যখন ধেয়ে আসে তখন তাদের পাসপোর্ট থাকে না। তাই আমি চাই, অবিলম্বে হিমালয়ান ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স মেকানিজম তৈরি হোক যার নেতৃত্বে থাকবে ভারত, চিন এবং নেপাল।”

বলেন্দ্র চাইছেন, এই তিন দেশ যৌথভাবে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মোকাবিলা করুক। সেটা আগে থেকে সতর্ক করা হোক বা বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজ হোক-যৌথভাবে কাজ করুক দেশগুলি। নেপালের প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দিয়েছেন, অন্তত একদশক ধরে তাঁর দেশ দুই প্রতিবেশীর সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। তাই হিমালয়ের পাদদেশে বসবাসকারী ২০০ কোটি মানুষের কথা ভেবে ভারত-চিন হাত মিলিয়ে কাজ করুক, রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে আহ্বান বলেন্দ্রর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.