সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতকে নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন নেপালের (Nepal) প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকুমার দাহাল ওরফে প্রচণ্ড (Prachanda)। বিরোধী নেতারা তাঁর ইস্তফার দাবিতে সরব হয়েছেন। তাঁদের দাবি, ”আমাদের ভারত নিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী দরকার নেই।” স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কী এমন বলেছেন তিনি, যে কারণে এমন বিতর্ক ঘনিয়ে উঠছে।
আসলে সম্প্রতি নেপালের প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা গিয়েছিল, তাঁকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করতে সেদেশে বসবাসকারী এক ভারতীয় ব্যবসায়ী নয়াদিল্লির সঙ্গে কথা বলেছিলেন। আর এই মন্তব্যের পরই বিতর্কে জড়িয়েছেন গত ডিসেম্বরে নেপালের মসনদে বসা প্রচণ্ড।
[আরও পড়ুন: রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ, নীতীশের NDA প্রত্যাবর্তনের জল্পনা, ‘খাপ্পা’ চিরাগ পাসওয়ান]
ঠিক কী বলেছিলেন তিনি? গত সোমবার একটি বইপ্রকাশ অনুষ্ঠানে সর্দার প্রীতম সিং নামের ওই ব্যবসায়ী সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রচণ্ডকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ”আমাকে প্রধানমন্ত্রী করতে চেষ্টা করেছিলেন। বেশ কয়েকবার দিল্লিতে গিয়ে কথা বলেছিলেন। কাঠমান্ডুর রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গেও আলোচনা করেছিলেন আমাকে প্রধানমন্ত্রী করার ব্যাপারে।” প্রচণ্ড এও দাবি করেছেন, তাঁর জন্যই নাকি ভারত-নেপাল সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে। এর পর থেকেই বিতর্ক ঘনাতে শুরু করে। উঠে গিয়েছে তাঁর ইস্তফার দাবিও।
নেপালের প্রধান বিরোধী দল কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল বুধবারই বৈঠকে প্রচণ্ডর ইস্তফার দাবি তোলে। সেদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ওলি বলেছেন, ”ওঁর মন্তব্য আমাদের জাতীয় স্বাধীনতায় আঘাত করেছে। আঘাত করেছে সংবিধান, সংসদ ও মর্যাদাকে।” স্লোগান উঠেছে, যে প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লি নিযুক্ত করেছে তাঁর ওই পদে থাকার অভিজ্ঞতা নেই।
[আরও পড়ুন: কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নিয়োগে বাধ্যতামূলক নয় PhD, জানাল UGC]
সর্বশেষ খবর
-
পথচারীদের জায়গা আটকে কেন দোকান? ফুটপাথের ব্যবসায়ীদের ধমক অগ্নিমিত্রার! দিলেন বড় নির্দেশ
-
দল না হাসপাতাল! কার ভুলে চোট-আঘাতে জেরবার টিম ইন্ডিয়া? কড়া পদক্ষেপের পথে বিসিসিআই
-
মোদির আশ্বাস, হরিয়ানা পুলিশের ভরসা, দিল্লি অভিযানে দাঁড়ি টেনে ফিরে গেলেন কৃষকরা
-
‘বাচ্চাদের উপর এমন নির্যাতন দেখে রাগে ফুঁসছি’, ‘আরশোলা’দের উপর লাঠিচার্জ নিয়ে মন্তব্য নাসিরুদ্দিনের
-
তৃণমূলের তহবিল মামলা: দলের কোষাধ্যক্ষ শুভাশিস চক্রবর্তীকে তলব ইডির