Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
China

এবার বিশ্বে ‘ল্যাঙ্গিয়া’ ভাইরাসের আতঙ্ক! পশুর দেহ থেকে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ, চিনে আক্রান্ত ৩৫

এই সংক্রমণের উপসর্গ কী? জেনে নিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২২, ১২:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২২, ১২:১৭

options
link
এবার বিশ্বে ‘ল্যাঙ্গিয়া’ ভাইরাসের আতঙ্ক! পশুর দেহ থেকে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ, চিনে আক্রান্ত ৩৫ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে এখনও কমেনি করোনা ভাইরাসের দাপট। তারই মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ। এবার দোসর হিসেবে মাথাচাড়া দিল আরও এক নয়া ভাইরাস। যা সর্বপ্রথম থাবা বসিয়েছে চিনে বলে খবর। এই ল্যাঙ্গিয়া হেনিপাভাইরাসে ইতিমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত ৩৫ জন।

জানা গিয়েছে, চিনের হেনান এবং শানডং প্রদেশের বাসিন্দাদের শরীরে থাবা বসিয়েছে এই ভাইরাস। পশুর দেহ থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয় ভাইরাসটি। তাইওয়ান সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোলের (CDC) তরফে জানানো হয়েছে, চিনের দুই প্রদেশে মোট ৩৫ জন ল্যাঙ্গিয়া হেনিপাভাইরাসে আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। যাঁদের মধ্যে ২৬ জনই শুধুমাত্র ল্যাঙ্গিয়ায় সংক্রমিত। অর্থাৎ তাঁদের শরীরে এই ভাইরাসের উপসর্গও লক্ষ্য করা গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলা: দশম তলবও এড়াচ্ছেন অনুব্রত মণ্ডল, কড়া পদক্ষেপের পথে CBI]

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নিপা ভাইরাসের মতোই এই হেনিপাভাইরাস (Langya Henipavirus) বাদুরের থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ায় এর প্রভাব বেশি পড়তে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, খাবার, পানীয় জল কিংবা পরিবেশের মাধ্যমে অন্য প্রাণীর থেকে মানুষের দেহে ছড়াতে পারে এই হেনিপাভাইরাস।

এর উপসর্গ কী? গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই সংক্রমণের ক্ষেত্রে রোগীর শরীরে জ্বর, ক্লান্তি, সর্দি-কাশি, খিদে না পাওয়া, পেশীতে ব্যথা এবং বমি বমি ভাব দেখা দিতে পারে। আরও চিন্তার বিষয় হল, এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনও ভ্যাকসিন তৈরি হয়নি। এই রোগের কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতিও নেই। শারীরিক সমস্যা দূর করতে স্বাভাবিক যে চিকিৎসা করা হয়, সেভাবেই আপাতত রোগীদের শুশ্রুষা করা হচ্ছে।

তবে এখনই আতঙ্কিত না হওয়ারই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার কার্যত নেই বললেই চলে। আসলে ক্রমাগত একের পর এক ভাইরাসের দাপটে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। সেই কারণেই প্রত্যেককে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: আগেই মিলেছিল ভাঙনের আঁচ, তবুও নীতীশ কুমারকে কেন আটকাল না বিজেপি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.