সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তুমুল বৃষ্টির পর আকাশে রামধনুর দেখা পাওয়া যায়। এটা কোনও বিরল মহাজাগতিক ঘটনা নয়। তবে সাধারণত আকাশে এই সাতরঙা শোভা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। ফুটে ওঠার কিছুক্ষণ পরই মিলিয়ে যায় রামধনু। কিন্তু, সম্প্রতি তাইওয়ানের রাজধানী তাইপে-র আকাশে যে রামধনুটি দেখা গিয়েছিল, সেটি স্থায়ী হয়েছিল প্রায় নয় ঘণ্টা। অন্তত তেমনই দাবি করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রামধনুটি দেখা গিয়েছে ইংল্যান্ডের আকাশে। ১৯৯৪ সালের ১৪ মার্চ প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে রামধনুর শোভা দেখতে পেয়েছিলেন ইয়র্কশায়ারের বাসিন্দারা। কিন্তু, তাইপেবাসীর দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে সেই রেকর্ডটি আর অক্ষত থাকবে না।
[নতুন বছরে ফের, এবার শিহরণ বাড়াবে রক্তবর্ণ ‘সুপারমুন’]
কয়েক ঘণ্টার তুমুল বৃষ্টি। আর তার ঠিক পরেই আকাশে ফুটে উঠল সাতরঙের রামধনু। রেখাটি দেখতে অনেকটা ধনুকের মতো। তাই এর নাম রামধনু। বিজ্ঞানীদের মতে, তুমুল বৃষ্টির পর বায়ুমণ্ডলের বিন্দু বিন্দু জলকণা জমে। আর সেই জলকণায় উপর সূর্যের আলোর বিচ্ছুরণে তৈরি হয় রামধনু। কিন্তু, তা দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয় না। বায়ুমণ্ডলের যখন ফের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে, তখন রামধনুও মিলিয়ে যায়। তবে তেমনটা অবশ্য ঘটেনি তাইওয়ানে রাজধানী তাইপের আকাশে। সেখানকার আকাশে রামধনুর ছবি ক্যামেরাবন্দি করেছেন চাইনিজ কালচারাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক চু কুন হুসাইন। বেশ কয়েকটি ভিডিও তুলেছেন তিনি। তাতে দেখা গিয়েছে, সকাল সাতটা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত তাইপের আকাশে রামধনু ছিল। অর্থাৎ প্রায় ন’ঘণ্টা। যা নজিরবিহীন। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে তথ্য বলছে, ১৯৯৪ সালে মার্চে ইংল্যান্ডে ইয়র্কশায়ারের আকাশে ছয় ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল রামধনু। এখনও পর্যন্ত সেই ঘটনাটি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রামধনুর নজির হয়ে রয়েছে। যদিও অধ্যাপক চু কুন হুসাইন বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের পড়ুয়ারা রামধনুটির দশ হাজার ছবি তুলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য বিভাগের পড়ুয়া ও স্থানীয় বাসিন্দারাও আরও অনেক ছবি তুলেছেন। তাই রামধনুটি যে সত্যি নয় ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল, তা প্রমাণ করার বিষয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি।
[সাক্ষী হোন বছরের শেষ ‘সুপারমুন’-এর, কবে দেখা যাবে জানেন?]
কিন্তু, এই দীর্ঘস্থায়ী রামধনুর রহস্যটা কী? বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যখন কোনও এলাকায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়, তখন সেখানে প্রবল বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির পর আকাশে দীর্ঘক্ষণ রামধনু দেখতে পাওয়া যায়। কারণ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সৃষ্টি হওয়া মেঘের জলধারণ ক্ষমতা বেশি।তবে বিজ্ঞানের তত্ত্বকথা ছেড়ে, আপাতত সৌন্দর্য ও রেকর্ডের নেশাতেই বুঁদ তাইপেবাসী।
[দম্পতির ব্যাগে মিলল ২০০টি জ্যান্ত আরশোলা, তাজ্জব বিমানবন্দরের কর্মীরা]
সর্বশেষ খবর
-
পুরনো ফোন বিক্রি করলে তথ্য বেহাত হবে না তো? এই সহজ পদ্ধতিতে থাকুন নিরাপদ
-
পরিবহণ বিপ্লব শুভেন্দুর, কলকাতায় প্রথম ওয়াটার মেট্রো, সাগরমালায় জুড়ল বাংলা
-
বিশ্বকাপে নরওয়ের ‘গোপন অস্ত্র’ ৩০০ কেজি মাছ! হাল্যান্ডদের সঙ্গে আমেরিকায় উড়ে গেল ব্রাউন চিজও
-
সাইকেল করে স্কুল-টিউশন-প্রেম, দু’চাকার জীবনসংগ্রাম!
-
আরসিবির জয়ের ভিডিও পোস্ট করে তুমুল বিতর্কে নুসরত, নেপথ্যে অশ্লীল আওয়াজ! কী সাফাই নায়িকার?