সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতে মুসলিমরা যথেষ্ট সুরক্ষিত। অন্যদের কথার উপর ভিত্তি করে ভারতীয় মুসলিমদের অবস্থা বিবেচনা করা ঠিক নয়। ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে প্রশ্নের জবাবে সাফ এই কথা জানালেন ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (Nirmala Sitharaman)। আইএমএফ (IMF) ও বিশ্বব্যাংকের (World Bank) বৈঠকে যোগ দিতে আমেরিকায় পৌঁছেছেন তিনি। সেখানেই ভারতীয় মুসলিমদের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন ভারতীয় অর্থমন্ত্রী।
একটি সাক্ষাৎকারে নির্মলাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ভারতে কি মুসলিম সম্প্রদায় হিংসার শিকার হচ্ছেন? উত্তর অর্থমন্ত্রী সাফ জানান, “বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যা ভারতেই রয়েছে। সেই সংখ্যাটা ক্রমেই বাড়ছে। অনেকেই বলে থাকেন, ভারতে মুসলিমরা বিপণ্ণ। তাঁদের একটা প্রশ্ন করতে চাই। ভারতে যদি মুসলিমরা এতই সমস্যার মধ্যে থাকেন, তাহলে ১৯৪৭ সালের পর দেশে মুসলিমদের সংখ্যা এত বাড়ল কী করে?”
[আরও পড়ুন: ‘মাইলস্টোনের জন্য খেলেছে’, মন্থর ব্যাটিংয়ের জেরে তোপের মুখে বিরাট]
এই প্রসঙ্গে পাকিস্তানকেও একহাত নিয়েছেন নির্মলা। তিনি বলেন, পাকিস্তানের মুসলিমদের তুলনায় অনেক বেশি সুরক্ষিত আছেন ভারতীয় মুসলিমরা। অর্থমন্ত্রীর মতে, “মুহাজির, শিয়ার মতো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বারবার হিংসাত্মক আচরণ করা হয়েছে। যদি ভারতের দিকে দেখেন, তাহলে দেখা যাবে সমস্ত সম্প্রদায়ের মুসলিমরাই সমান ভাবে কাজ করছেন, সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন। পড়াশোনা করছে তাঁদের সন্তানরা।”
ভারতে বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়েও মুখ খোলেন অর্থমন্ত্রী। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, ভারত সম্পর্কে অন্য দেশগুলির যা ধারণা তার জেরে কি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা যায়? নির্মলা জানান, “দীর্ঘদিন ধরেই ভারতে বহু বিনিয়োগ হয়েছে। তাই আমি বলব, অন্যদের দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভরসা না রেখে নিজেরাই ভারতে আসুন। তাহলেই এই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।”
[আরও পড়ুন: আর জাতীয় দল নয় তৃণমূল, কী কী সুযোগ হারাল বাংলার শাসকদল?]
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!