Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬
Microsoft

মানুষের চাকরি খাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা! এক লপ্তে ৪৮০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত মাইক্রোসফ্‌টের 

ডেটা সেন্টার তৈরির ক্রমবর্ধমান ব্যয় প্রতিষ্ঠানটির নগদ প্রবাহের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। এর জেরে কপাল পুড়ছে কর্মীদের। অতএব, বাস্তবেই মানুষের চাকরি খাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ২১:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ২১:৩৬

options
link
মানুষের চাকরি খাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা! এক লপ্তে ৪৮০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত মাইক্রোসফ্‌টের  zoom
মোট কর্মীর ২.১ শতাংশ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

মানুষের চাকরি খাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এবার দুনিয়াখ্যাত তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা মাইক্রোসফ্‌টও একই পথে হাঁটল। সংস্থার মোট কর্মীর ২.১ শতাংশ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তারা। এর জেরে দুনিয়াজুড়ে চাকরি হারাতে চলেছেন ৪৮০০ কর্মী।

চলতি বছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় মাইক্রোসফ্টের বিনিয়োগ ৭০০ বিলিয়ান ডলার ছাপিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর জেরে সংস্থার ব্যয় বাড়ছে বলা বাহুল্য। ভারসাম্যে রক্ষায় কর্মী ছাঁটাই করতে চলেছে মাইক্রোসফ্‌ট। উল্লেখ্য, আমাজন ও মেটার মতো তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলিও চলতি বছরে কয়েক হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। সোমবারই একই বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে মাইক্রোসফ্‌ট। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে কোম্পানির শেয়ারের দর প্রায় ২৩ শতাংশ কমে গিয়েছে, যা ২০২২ সালের পর থেকে সবচেয়ে কম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চলতি বছরের শুরুর দিকে সফটওয়্যার জায়ান্টটি আমেরিকায় তাদের মোট কর্মীর প্রায় ৭ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৯,০০০ কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। নতুন বছরের ব্যয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার সময় জুন মাসে মাইক্রোসফ্‌ট প্রায়ই কর্মী ছাঁটাইয়ের পদক্ষেপ করে থাকে।

প্রসঙ্গত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যাপক চাহিদা মাইক্রোসফ্‌টের ‘অ্যাজিউর’ ক্লাউড-কম্পিউটিং ব্যবসাকে উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়িয়েছে। যা এপ্রিল মাস পর্যন্ত ওপেনএআইয়ের মডেলগুলির একমাত্র বিক্রেতা ছিল। সমস্যা হল, ডেটা সেন্টার তৈরির ক্রমবর্ধমান ব্যয় প্রতিষ্ঠানটির নগদ প্রবাহের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। এর জেরে কপাল পুড়ছে কর্মীদের। অতএব, বাস্তবেই মানুষের চাকরি খাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.