Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

আস্ত একটি রেল স্টেশনকে বিয়ে করেছেন এই মহিলা!

দেখুন সেই ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০১৭, ০৪:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০১৭, ০৪:৫৮

options
link
আস্ত একটি রেল স্টেশনকে বিয়ে করেছেন এই মহিলা! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র ৯ বছর বয়সে প্রথম প্রেমের উত্তাপে গলে যাওয়া। আর প্রথম কাছে আসা ২০১১-তে। ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা ক্যারল সান্টা ফে-র প্রেমের গল্পটা কিন্তু বেশ অদ্ভুত। কারণ, তিনি কোনও মানুষ নন, ভালবেসে বিয়ে করেছেন একটি আস্ত রেল স্টেশনকে। যে স্টেশনে প্রত্যেকদিন প্রায় ২০০০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। ওই স্টেশনের দুটি দেওয়ালের সংযোগস্থলের সঙ্গে নাকি তাঁর মধুচন্দ্রিমাও সারা হয়ে গিয়েছে।

[মাত্র ৬৮টি পোস্টেই নেটদুনিয়ায় ঝড় তুলেছেন এই নার্স]

হ্যাঁ, ২০১৫-র এক গ্রীষ্মে ক্যারল নিয়মমাফিক বিয়ে সারেন সান দিয়েগো শহরের সান্টা ফে স্টেশনের সঙ্গে। বিয়ের পর নিজের নামের সঙ্গে ‘স্বামী’র পদবীও জুড়ে নিয়েছেন। ক্যারল বলছেন, “মাত্র ৯ বছর বয়সেই আমার এই স্টেশনকে ভাল লেগে যায়। ছোটবেলায় যখন এই স্টেশনের দেওয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়াতাম, তখনই মনে হত ও যেন আমার অভিভাবক, প্রকৃত বন্ধু।” ২০১১-তে নিজের অনুভূতিকে ভালবাসার নাম দেন ক্যারল। এই স্টেশনে এলে তাঁর নাকি ‘অর্গ্যাজম’ হয় বা শরীরে যৌনাকাঙ্খা জাগে। কিন্তু সেবার এক রেলকর্মী তাঁকে তাড়া করে স্টেশনছাড়া করেন। এরপর থেকে প্রতিদিনই নিয়ম করে ‘স্বামী’র সঙ্গে দেখা করতে যান ক্যারল। তিনি নাকি সান্টা ফে-র ‘প্রিন্সেস’। নগ্ন হওয়ার অনুমতি না মেলায় পোশাক পরেই স্টেশনের দেওয়ালগুলিকে ছুঁয়ে থাকেন উত্তাপ বিনিময় করতে। নিজেকে স্বঘোষিত ‘অবজেক্টাম সেক্সুয়াল’ বলে দাবি করেন ক্যারল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[অতীতে ন্যাপকিনের বদলে মহিলারা ঋতুস্রাবের সময় কী ব্যবহার করতেন?]

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যারলের এই ‘ভালবাসা’ অদ্ভুত হলেও নজিরবিহীন নয়। ব্যক্তি নয়, কোনও বস্তুর প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার প্রবণতাকে বলে ‘অবজেক্টোফিলিয়া’। ক্যারল ওই প্রবণতায় আক্রান্ত। ২০০৯-এ এই প্রবণতার সন্ধান পান মার্কিন গবেষকরা। সহজ করে বললে, এই প্রবণতা একধরনের অটিজম। এর আগে ২০০৭-এ এরিকা আইফেল নামের এক মার্কিন মহিলা দাবি করেন, তিনি আইফেল টাওয়ারকে বিয়ে করেছেন। সেই নিয়ে একটি জনপ্রিয় ডকুমেন্টারিও তৈরি হয়। তালিকায় রয়েছে একলফ বার্লিনারের নামও, যিনি ১৯৭৯-এ বার্লিন প্রাচীরকে বিয়ে করেন।

দেখুন ভিডিও:

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.