Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
সাদা পতাকা

সীমান্তে সেনার দেহ উদ্ধার করতে ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ পাকিস্তানের, ভাইরাল ভিডিও

মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ভারতীয় সেনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ১৫:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ১৫:৪৫

options
link
সীমান্তে সেনার দেহ উদ্ধার করতে ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ পাকিস্তানের, ভাইরাল ভিডিও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করেছিল তারাই। আর সেনার মৃত্যুর পর ভারতের কাছে মাথা নত করতেও বাধ্য হল তারাই। সীমান্তে পড়ে সেনার দেহ। আর তা উদ্ধারের জন্য সাদা পতাকা ওড়াতে বাধ্য হল পাকিস্তান। যে দৃশ্যের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: মাথায় হোর্ডিং পড়ে মৃত তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী, কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মাদ্রাজ হাই কোর্টের]

সাদা পতাকার অর্থ আত্মসমর্পণ অথবা শত্রুপক্ষের সঙ্গে বিরতির চুক্তি করা। নিজেদের দেশের সেনার দেহ উদ্ধার করতে গিয়ে সেই সাদা পতাকাই দেখাতে হল পাকিস্তানকে। ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, গত ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর পাক অধিকৃত কাশ্মীরের হাজিপুর সেক্টরে ভারতের জওয়ানদের হাতে খতম হয় সিপাই গুলাম রাসুল। সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করার পরই সীমান্তে গুলির লড়াই শুরু হয়। আর তাতেই প্রাণ হারায় পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বহওয়লনগরের বাসিন্দা রাসুল। লড়াইয়ের তীব্রতা বাড়িয়ে প্রথমে সীমান্তে পড়ে থাকা রাসুলের দেহ উদ্ধারের চেষ্টা করে পাক রেঞ্জার্স। কিন্তু সে সময়ই ভারতীয় সেনার গুলিতে নিহত হয় আরও এক পাঞ্জাবি মুসলিম পাক সেনা। গত দু’দিনের চেষ্টাতেও কোনওভাবেই দেহ দুটি উদ্ধার করতে পারছিল না পাকিস্তান। অবশেষে ১৩ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ গতকাল আত্মসমর্পণ করে তারা। সাদা পতাকা প্রদর্শন করে পাক সেনা। মৃতদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে পাকিস্তানকে দেহ নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ভারতীয় সেনা।

Advertisement

উল্লেখ্য, এর আগে ৩০ ও ৩১ জুলাইও কেরান সেক্টরে ভারতীয় সেনার হাতে নিকেশ হয়েছিল ৫-৬জন পাক সেনা এবং জঙ্গি। তবে তারা পাঞ্জাব প্রদেশের না হওয়ায় তাদের দেহ নিয়ে যাওয়ার কোনও উৎসাহ দেখায়নি পাকিস্তান। কার্গিল যুদ্ধের সময় নিহত সেনাদের দেহও উদ্ধার করেনি পাকিস্তান। ভারতই তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছিল। আসলে কাশ্মীরি ও নর্দান লাইট ইনফ্যান্ট্রির বাসিন্দাদের তারা মূলত ঢাল হিসেবেই কাজে লাগায়। কিন্তু পাক সেনায় প্রায় ৭০ শতাংশ পাঞ্জাব প্রদেশের মুসলিম জওয়ান থাকায় তাদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

[আরও পড়ুন: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে গেরুয়া ঝড়, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বড় জয় এবিভিপির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.