সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত পাঁচ বছরে ২৯৮ জন ভারতীয় অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দিয়েছে পাকিস্তান। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে একথা জানায় পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রক।
[কী কাণ্ড! দমফাটা হাসির চোটে প্রাণই হারালেন মহিলা]
শনিবার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে অধিবেশন চলছিল। সেই সময় ভারতীয় অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গটি ওঠে। গত পাঁচ বছরে সরকার কতজন ভারতীয়কে নাগরিকত্ব দিয়েছে জানতে চান শাসক দল ‘পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ’–এর সাংসদ শেখ রোহেল আসগর।
[শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা, মৃত্যুদণ্ডের আদেশ ১০ জঙ্গিকে]
জবাবে তাকে বিস্তারিত হিসেব দেয় পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বিবৃতি জারি করে বলা হয়, ২০১২ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত ২৯৮ জন ভারতীয় অভিবাসীকে পাকিস্তানি নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০১২ সালে ৪৮ জন ভারতীয় অভিবাসীকে পাকিস্তানি নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছিল।
[সহজ ইংরাজি শব্দের বানান ভুল করে নেটদুনিয়ায় খোরাক ট্রাম্প]
২০১৩ সালে সংখ্যাটা বেড়ে ৭৫ হয়। ২০১৪ সালে ৭৬ জনকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। তবে নাগরিকত্ব দেওয়ার সংখ্যা কমে যায় ২০১৫ সালে। সেবছর মাত্র ১৫ জনকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। ২০১৬ সালে পাকিস্তানের নাগরিকত্ব পেয়েছেন ৬৯ জন ভারতীয় অভিবাসী। আর চলতি ২০১৭ সালের ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১৫ জনকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।
[ইনিই কি দুনিয়ার সেরা সুন্দরী সঞ্চালিকা? নেটদুনিয়ায় আলোচনার ঝড়]
ইসলামাবাদের দাবি, ভারত, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং মায়ানমার থেকে আসা অগণিত অভিবাসী বেআইনিভাবে বসবাস করছেন সে দেশে। আইনি টানাপোড়েনের জেরে গত বছর এক ভারতীয় মহিলাকে পাকিস্তানি নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। বেশ কিছু বছর আগে এক পাকিস্তানি নাগরিককে বিয়ে করেছিলেন ওই মহিলা। কিন্তু স্বামীর মৃত্যুর পর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হতে হয় তাঁকে। ২০০৮ সালে পাকিস্তানের নাগরিকত্ব চেয়ে পাক সরকারের দ্বারস্থ হন তিনি। পাকিস্তানের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌধুরি নিসার আলি খানের নির্দেশে গত বছর মার্চ মাসে তাঁকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।
সর্বশেষ খবর
-
ডিজে মামলায় আরও বিপাকে অভিষেক, সই জাল মামলায় কী জানাল হাই কোর্ট?
-
১১ বছর ধরে শরীরে রোগ পুষছেন দিলজিৎ, করছেন না অস্ত্রোপচারও! কেন উদাসীন অভিনেতা?
-
আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে কেপ ভার্দের অধিনায়কের ধর্ষণ-কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন, কী পদক্ষেপ ফিফার?
-
ডে-কেয়ারেও শিশুদের উপর নির্যাতন! নিশ্চিন্তি কোথায়?
-
যাদবপুর-প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে ‘জিরো ইয়ার’, ব্যাপারটা কী?