Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

ট্রাফিক পুলিশকে ধাক্কা বাইক আরোহীর, বিচারক কী সাজা দিলেন জানেন?

প্রতি শুক্রবার দু'ঘণ্টা করে দাঁড়ানোর নির্দেশ করাচি আদালতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০১৭, ১৬:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০১৭, ১৬:১৮

options
link
ট্রাফিক পুলিশকে ধাক্কা বাইক আরোহীর, বিচারক কী সাজা দিলেন জানেন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছোটবেলায় পড়া না করে স্কুলে গিয়ে শাস্তি পাওয়ার কথা নিশ্চয়ই মনে রয়েছে। কখনও কান ধরে ওঠবোস কখনও আবার কড়া রোদে মাঠের মাঝখানে দু’হাত তুলে দাঁড়িয়ে থাকা। কিন্তু কখনও কোনও ব্যক্তিকে কড়া রোদের মধ্যে ট্রাফিক সিগন্যালে দু’হাত আকাশে তুলে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছেন? না দেখাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সম্প্রতি সামনে এসেছে এমন একটি ঘটনা যা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন আপনিও। পুলিশকে ধাক্কা মারার অভিযোগে এক বাইক আরোহীকে দু’হাত তুলে ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকার শাস্তি দিল আদালত। আগামী এক বছর প্রতি শুক্রবার দু’ঘণ্টার জন্য এম এ জিন্নাহ রোডের একটি ট্রাফিক সিগন্যালে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে মহম্মদ কাশিমকে। ওই প্ল্যাকার্ডটিতে লেখা থাকবে, ‘সাবধান! সচেতনভাবে এবং মনযোগ না দিয়ে গাড়ি চালালে আপনার মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে হবে।’

[ফের নারীর সম্ভ্রমে হাত, কোঝিকোড়ে রাস্তায় তরুণীর শ্লীলতাহানি]

ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের করাচিতে। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে সেই ঘটনার কথা। জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণেই কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশকে ধাক্কা দেন ৩৪ বছর বয়সি কাশিম। এরপর দু’জনেই পড়ে যান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা দু’জনে উদ্ধার করেন। এরপরই খারাপভাবে গাড়ি চালানোর অভিযোগে কাশমিকে আটক করা হয়। পরে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে দু’টি শাস্তির কথা বলেন। একটি, কাশিমকে হাজতবাস করতে হবে। দ্বিতীয়টি, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে দু’ঘণ্টা ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। কাশিম দ্বিতীয়টিই বেছে নেন। অর্থাৎ আগামী ১১ অক্টোবর পর্যন্ত চড়া রোদের মধ্যে এই কাজটি করে যেতে হবে তাঁকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[২০০ তম ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করে একাধিক রেকর্ড ভাঙলেন বিরাট]

পরে এক সাক্ষাৎকারে কেন ওই শাস্তিটি বেছে নিয়েছেন, সেটাও খোলসা করে জানান। বলেন, ‘আমাকে যদি হাজতবাস করতে হত, তাহলে আমি একজন অপরাধী হয়ে যেতাম। আমি বিচারকের প্রতি ধন্য। প্রতি সপ্তাহে দু’ঘণ্টার জন্য ওই প্লাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়ানোর জন্য আমার কোনওরকম অসুবিধা হবে না। তাছাড়া এতে অন্যদেরও শিক্ষা হবে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.