Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

‘অভিযোগই নেই তো কীসের অ্যাকশন?’, জঙ্গি সইদের হয়ে সাফাই পাক প্রধানমন্ত্রীর

দ্বিচারিতার মুখোশ খুলে গেল পাকিস্তানের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০১৮, ০৫:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০১৮, ০৫:৪৩

options
link
‘অভিযোগই নেই তো কীসের অ্যাকশন?’, জঙ্গি সইদের হয়ে সাফাই পাক প্রধানমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে পাকিস্তানে চলে ‘সন্ত্রাসতন্ত্র’। ফের এই প্রবাদকে সত্যি প্রমাণ করলেন খোদ সে দেশের প্রধানমন্ত্রী। এতদিন মিনমিনে গলায়, কিছুটা রেখেঢেকে সন্ত্রাসীদের গুণকীর্তন করতেন তিনি। তবে এবার হাফিজের দাবড়ানি খেয়ে প্রকাশ্যেই ওই সন্ত্রাসবাদীর সমর্থনে এগিয়ে এলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহিদ আব্বাসি। তাঁর দাবি, আইএসআইয়ের ‘মানসপুত্র’ হাফিজের বিরুদ্ধে নাকি কোনও অভিযোগই দায়ের হয়নি।

[৭১-এর যুদ্ধের বদলা, কাশ্মীরকে মুক্ত করার হুঁশিয়ারি হাফিজ সইদের]

Advertisement

মঙ্গলবার পাক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন আব্বাসি। সেখানে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে মুম্বই হামলার মূলচক্রীকে ক্লিনচিট দেন তিনি। মুম্বই হামলার পর ইসলামাবাদের কাছে গুচ্ছের অভিযোগপত্র পাঠায় নয়াদিল্লি। তবে তা যে ভস্মে ঘি ঢালা তা ফের প্রমাণ করল সন্ত্রাসের চারণভূমি। সম্প্রতি, ইসলামবাদকে বিস্তর দাবড়ানি দিয়েছে ওয়াশিংটন। সামরিক খাতে আর্থিক মদতও বন্ধ করে দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। তারপরই বেকায়দায় পড়ে ফের খোলস ছাড়ছে পাকিস্তান। হাফিজ সইদের সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়া’-র ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপায় পাক সরকার। তারপরই সাপের ছুঁচো গেলার মতো অবস্থা হয় ইসলামাবাদের। গণতান্ত্রিক সরকারের উপর প্রবল চাপ তৈরি করে সইদ ও আইএসআই। এমনকি খোদ পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিল আইএসআইয়ের ‘মানসপুত্র’। তার অভিযোগ আর্থিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে সংগঠনটির ভাবমূর্তিতে আঘাত হেনেছেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খুররাম দস্তগির।

এমনই পরিস্থিতিতে সব মিলিয়ে ফের জঙ্গিদের বুকে আগলে রাখাই শ্রেয় মনে করছে পাক প্রশাসন। এছাড়াও ভারতের বিরদ্ধে ছায়াযুদ্ধ চালাতে মদত চাই সন্ত্রাসীদের। ফলে আব্বাসির মন্তব্য অনেকটা ঢোক গেলা বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের রাজনীতিতে ইতিমধ্যে প্রবেশ করেছে জঙ্গি সইদ। দল গঠন করে নির্বাচন লড়বে সে। ফলে ভবিষ্যতে যে পাক প্রতিনিধি দলে হাফিজ সইদ থাকবে না, সে কথা বলা যায় না। সব মিলিয়ে পাকেচক্রে হয়ত ‘গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত’ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে জঙ্গি সইদের কাছেই ফের সন্ত্রাসবাদের প্রমাণ দাখিল করবে ভারত!

[পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনের দ্বারস্থ জঙ্গি হাফিজ সইদ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.