Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
আফগানিস্তান

ISI কর্তার সঙ্গে আফগানিস্তানে হাজির পাক সেনাপ্রধান, নজর রাখছে দিল্লি

আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি আশরফ ঘানির সঙ্গে বৈঠকে বসেন বাজওয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২০, ১৩:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২০, ১৩:৩৭

options
link
ISI কর্তার সঙ্গে আফগানিস্তানে হাজির পাক সেনাপ্রধান, নজর রাখছে দিল্লি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়ে মঙ্গলবার আচমকাই আফগানিস্তান পৌঁছান পাকিস্তানের সেনাপ্রধান কামার জাভেদ বাজওয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI-এর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফইজ হামিদ।

[আরও পড়ুন: উপসর্গহীন রোগীদের থেকেও ছড়ায় করোনা! ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অবস্থান বদল WHO’র]

নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে পাক সেনাপ্রধানের আগমনের কথা জানিয়েছে কাবুলের পাক দূতাবাস। ওই দিন ‘প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেসে’ আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি আশরফ ঘানির সঙ্গে বৈঠকে বসেন বাজওয়া। তবে সেখানে কী আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে মুখ খোলেনি পাক দূতাবাস। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, সম্প্রতি জেনারেল বাজওয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন আফগানিস্তানে আমেরিকার বিশেষ দূত জালমে খলিলজাদ। তারপরই পাক সেনপ্রধানের কাবুল সফরের উপর কড়া নজর রাখছে ভারত। নয়াদিল্লির আশঙ্কা আফগানিস্তানে পাক প্রভাব বাড়লে ‘বন্ধু’ দেশটির জমি থেকে ভারতে সন্ত্রাস রপ্তানির সমস্ত সম্ভব চেষ্টা করবে রাওয়ালপিণ্ডি। সম্প্রতি একটি রিপোর্টে গোয়েন্দারা বলেছেন, কাশ্মীরে তালিবান জঙ্গিদের পাঠাতে চাইছে পাক সেনা।

Advertisement

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের প্রায় ৭০ বছরের বেশি ইতিহাসে প্রতিরক্ষা ও বিদেশনীতি গোটাটাই সেনার মর্জি মাফিক নিয়ন্ত্রিত হয়। বর্তমানে তালিবানের সঙ্গে শান্তি প্রক্রিয়া শুরু করেছে আমেরিকা ও আফগান সরকার। সেই প্রক্রিয়ায় শুধু মাত্র দর্শকের ভূমিকায় থাকতে নারাজ ইসলামাবাদ। পাক সেনপ্রধানের সফর সেই বার্তাই স্পষ্ট করে দিয়েছে। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই আফগানিস্তের গোয়েন্দা সংস্থা ‘ন্যাশনাল ডিরেক্টরেট অফ সিকিউরিটি’র প্রাক্তন প্রধান রহমতোল্লা নবিল টুইট করে দাবি করেছেন, তালিবানের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছে মোল্লা ইয়াকুব। ISI-এর মদতে তালিবানের রাশ এসেছে তার হাতে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তালিবানের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই চলে যাবে আইএসআইয়ের হাতে যা নিয়াদিল্লির পক্ষে মোটেও স্বস্তির খবর হবে না। বিশ্লেষকদের মতে, তালিবানের শীর্ষস্তরে এই পরিবর্তন অত্যন্ত টালমাটাল সময়ে হয়েছে। একদিকে, আফগান ভূমি থেকে ফৌজ সরাচ্ছে আমেরিকা, ওপরদিকে কাবুলের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ঘানি সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছে তালিবান। এহেন সময়ে উগ্রপন্থী সংগঠনটির শীর্ষস্তরে বদল ঘটা মানে এতদিনের সমস্ত সমীকরণ পালটে যাওয়া।

[আরও পড়ুন: চিনের ‘আগ্রাসন’ সমর্থনযোগ্য নয়, এবার ‘বাণিজ্য যুদ্ধ’ নিয়ে বেজিংকে তোপ আমেরিকার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.