Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Pakistan

আটটার মধ্যেই বন্ধ করতে হবে বাজার, বিদ্যুৎ বাঁচাতে নয়া ফতোয়া পাকিস্তানে

এই পদক্ষেপ করলে বছরে প্রায় ১০০কোটি ডলার সাশ্রয় করতে পারবে পাকিস্তান। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৩, ২২:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৩, ২২:২৩

options
link
আটটার মধ্যেই বন্ধ করতে হবে বাজার, বিদ্যুৎ বাঁচাতে নয়া ফতোয়া পাকিস্তানে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাত আটটার মধ্যে দেশের সমস্ত বাজার বন্ধ করতে হবে, এমনই ফতোয়া জারি করল পাক সরকার। দেশের পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান ইকবাল জানিয়েছেন, বিদ্যুতের খরচ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) সঙ্গে বৈঠক শেষ হওয়ার পরেই সাংবাদিকদের এই কথা জানিয়েছেন ইকবাল। প্রসঙ্গত, বিদেশি মুদ্রার অভাবে জ্বালানি কিনতে পারছে না পাকিস্তান (Pakistan)। তার জেরে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। ফলে দেশজুড়ে ব্যাপক বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিচ্ছে।

এহেন পরিস্থিতিতে বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসে প্রাদেশিক মন্ত্রীরা। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিদ্যুৎ বাঁচাতে রাত আটটার পর সমস্ত বাজার ও দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই মর্মে কেন্দ্র ও প্রাদেশিক দুই সরকারের তরফেই আলাদা করে জারি হবে নির্দেশিকা। পরিকল্পনা মন্ত্রীর মতে, এই পদক্ষেপ করলে বছরে প্রায় ১০০কোটি ডলার সাশ্রয় করতে পারবে পাকিস্তান। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে তদন্ত ১৫ জুনের মধ্যে! কেন্দ্রের আশ্বাস পেয়েই স্থগিত কুস্তিগিরদের বিক্ষোভ]

বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানির উপর যেন আর ভরসা করতে না হয়, তার জন্য বিকল্প পথ খোঁজারও ব্যবস্থা করছে পাক প্রশাসন। বুধবারই মন্ত্রী ইকবাল জানিয়েছেন, সৌর বিদ্যুৎ ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকাঠামো তৈরি করা হবে। পরিবেশবান্ধব উপায়ে বিদ্যুৎ তৈরি করে জ্বালানি আমদানির বিষয়টি একেবারেই শেষ করে দেওয়া হবে।

তবে বিদ্যুতের খরচে কাটছাঁট করতে আগেও একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে পাক সরকার। সরকারি অফিসারদের জন্য বরাদ্দ করা বিদ্যুতের পরিমাণ কমানো হয়। আগের তুলনায় চল্লিশ শতাংশ কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয় সরকারি অফিসগুলিতে। আধিকারিকদের জন্য গাড়ি বা এসি কেনা বন্ধ হয়। প্রতি শুক্রবার বাধ্যতামূলক ওয়ার্ক ফ্রম হোমের নির্দেশ দেওয়া হয়। রাত দশটার মধ্যে বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানও শেষ করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় সরকার। তবে এত কিছু করেও দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিভ্রাট এড়ানো যাচ্ছে না।

[আরও পড়ুন: ঝাড়ফুঁকে নষ্ট সময়! সাপে কামড়ানো মুমুর্ষ রোগীকে বাঁচাল ভাতার গ্রামীণ হাসপাতালই]

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.