২১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আণবিক যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে এবার ব্যালিস্টিক মিসাইলের উৎক্ষেপণ করল পাকিস্তান। সোমবার, ৬৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম পারমাণবিক অস্ত্রবাহী শাহীন-১ মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করল পাক সেনা।

পাক সেনার মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর জানান, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মিসাইলটির কার্যক্ষমতা কতটা তা খতিয়ে দেখতেই এই উৎক্ষেপণ। ইঙ্গিতে ভারতকে হুমকি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যে কোনও আণবিক হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও পালটা মারের ক্ষমতা বজায় রাখাই আমাদের উদ্দেশ্য।’ প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত নিখুঁতভাবে নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম পারমাণবিক অস্ত্রবাহী শাহীন-১ মিসাইলটি। ফলে পাক অধিকৃত কাশ্মীর বা লাহোরে মোতায়েন করা হলে রাজধানী নয়াদিল্লি-সহ ভারতের একাধিক শহর এই ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় চলে আসবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত আগস্ট মাসে কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ হওয়ার পরই জমি থেকে জমিতে আঘাত হানতে সক্ষম গজনবি মিসাইলেরও পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করে পাকিস্তান। প্রায় ২৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম এই আণবিক মিসাইলটি। এদিকে, গত অক্টোবর মাসেই অত্যাধুনিক ব্রহ্মস মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করে ভারত। এই সুপারসোনিক মিসাইলটি ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে পারে। শুধু তাই নয়। আণবিক অস্ত্রবহনে সক্ষম ও ২ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাতে সক্ষম অগ্নি-২ মিসাইলের উৎক্ষেপণ করে ভারত। সব মিলিয়ে দু’দেশের মধ্যে কর্মেই বাড়ছে অস্ত্র প্রতিযোগিতা।

এদিকে, তৎপরতা বেড়েছে নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে। ভারত সরকার কোনও প্রতিক্রিয়া না জানালেও ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রাক্তন কয়েকজন মাঝারি সারির সেনা কর্তাদের ব্যাখ‌্যা, ভারতের সঙ্গে অস্ত্রযুদ্ধে, প্রতিযোগিতায় অনেক পিছিয়ে পড়েছে পাকিস্তান। সরাসরি যুদ্ধ বা ছায়াযুদ্ধেও এখন এঁটে উঠতে পারছে না। ফলে দুনিয়ার চোখে নিজেদের প্রাসঙ্গিকতা বাড়াতে, পশ্চিমি দুনিয়ার সঙ্গে ক্ষমতার দরকষাকষির জায়গাটা আরও শক্তিশালী রাখতে, ভারতের সঙ্গে সমানতালে পাল্লা দিতে এখন বেআইনি পথে নিষিদ্ধ অস্ত্র আমদানির চেষ্টা করছে পাকিস্তান। রাজনৈতিক মহলের মতে, কাশ্মীর সহ নানা রাজনৈতিক ইসু‌্যতে এখন দুনিয়ার চোখে কোণঠাসা পাকিস্তান। দুনিয়ায় তাদের কথা কেউ শুনছে না। এতেই ভারতের প্রতি তাদের ‘ঘৃণা ও জেদ’ বেড়েছে।

[আরও পড়ুন: ইরাকি গোয়েন্দাদের খবরের ভিত্তিতেই খতম করা হয় বাগদাদিকে]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং