৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শুক্রবার ২২ নভেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শুক্রবার ২২ নভেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিনের পর দিন তাঁদের উপর করের বোঝা বাড়াচ্ছে পাকিস্তান৷ এবং কর বাবদ সরকারের যে রোজগার হচ্ছে, সেই অর্থের সাহায্যে অন্যত্র উন্নয়ন করছে ইসলামাবাদ৷ কিন্তু তাঁরা ব্রাত্যই রয়ে গিয়েছেন৷ ইমরান খান প্রশাসনের বিরুদ্ধে এমন একাধিক অভিযোগে এবার প্রতিবাদে নামলেন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা৷ জানালেন, তাঁদের উপর দিনের পর দিন অত্যাচার চালাচ্ছে পাক সরকার৷ করের পরিমাণ বাড়ানো হলেও, তাঁদের অবস্থার কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না৷ তাঁরা সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছেন৷

[ আরও পড়ুন: ভারতের বাঁধে নেপালে বন্যা! নদী রাজনীতিতে প্রতিবেশীকে দুষছে হিমালয়ের দেশ]

অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের বক্তব্য, ক্ষমতায় আসার আগে অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে অনেক গাল ভরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ উন্নয়নের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তিনি৷ কিন্তু ইমরান ইসলামাবাদের তখতে বসার পরেই, পরিস্থিতি বদলাতে থাকে৷ দেশ চরম অর্থনৈতিক সংকটে ভুগতে থাকার কারণে, অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষের উপর কর চাপায় সরকার৷ অতিরিক্ত কর দিলেও পরিষেবার ক্ষেত্রে কোনও পরিবর্তন হয় না৷ সরকার তাঁদের জন্য কোনও উন্নয়ণের কাজ করে না৷ বরং তাঁদের করের টাকা দিয়ে দেশের অন্যত্র উন্নয়নের কাজ করে ইসলামাবাদ৷

অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফ্ফরাবাদের বাসিন্দা পেশায় রিকশা চালক মুমান মুনীর বলেন, ‘‘ইমরান খান এখানকার মানুষের জীবন খারাপ থেকে খারাপতর করে দিয়েছেন৷ নয়া পাকিস্তান গড়তে গিয়ে মানুষের উপর করের বোঝা বাড়ান হয়েছে৷ এই রোজগারে কীভাবে আমরা এই পরিমাণ কর দিতে পারব? আমরা বাঁচব কীভাবে?’’ তিনি আরও জানান, ‘‘সরকারি দপ্তরে কর্মরত অফিসাররা যে পরিমাণ কর দিতে পারেন, তা আমরা দিতে সক্ষম নই৷ আমরা দিন আনি, দিন খাই মানুষ৷ আমরা ওই টাকা কোথা থেকে পাব৷ আমরা কেবল একটাই কথা বলব, যদি সত্যি পাক সরকার আমাদের মঙ্গল চায়, তবে যেন এই ধরনের শোষণ বন্ধ করে৷’’

জানা গিয়েছে, ইমরান সরকারের এই করবৃদ্ধির ফলে অধিকৃত কাশ্মীরে বেড়ে গিয়েছে খাবার থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম৷ বহুমূল্য হয়ে পড়েছে জ্বালানী ও যান চলাচলের খরচ৷ এই চরম মূল্যবৃদ্ধির ফলে মাথায় হাত পড়েছে সাধারণ বাসিন্দাদের৷ যে সমস্ত মানুষ বেশি রোজগারের আসায় একসময়ে অন্যত্র চলে গিয়েছিলেন, ইতিমধ্যে ঘরে ফিরে আসতে শুরু করেছেন তাঁরা৷ এলাকার এক দোকানকর্মী জানান, ‘‘দিনদিন জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠছে৷ সবকিছু দামি হয়ে গিয়েছে৷ আগে প্রতিমাসে আমি ৫০০ টাকা লাভ রাখতাম৷ এখন তা ৩০০-রও নিচে নেমে এসেছে৷ খাবার অগ্নিমূল্য হয়ে গিয়েছে এখানে৷ বেঁচে থাকার কোনও উপায় নেই৷’’

[ আরও পড়ুন: বর্ণবিদ্বেষী টুইটে বিবাদে জড়ালেন ট্রাম্প, সমালোচনার ঝড় মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং