৫ ফাল্গুন  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্রেক্সিটের পর ব্রিটেনের অভিবাসন নীতিতে বড়সড় বদল আনতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকা সূত্রে খবর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর দেশে অস্ট্রেলিয়ার মতো ‘পয়েন্ট সিস্টেম’ চালু করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। 

জানা গিয়েছে, এবার ব্রিটেনের অভিবাসী হতে গেলে শুধুমাত্র ন্যূনতম বেতন পরিকাঠামোর মাপকাঠি ছাড়াও ইংরেজিতে কথা বলার ক্ষমতা, শিক্ষাগত ও কারিগরী যোগ্যতা, নির্দিষ্ট এলাকায় ও শিল্পে কাজ করার ক্ষমতার মতো বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হবে। এবং এসব শর্ত পূরণ হলেই মিলবে টিয়ার-২ ভিসা। এই নয়া নিয়ম সকলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হতে চলেছে বলে খবর। সেক্ষেত্রে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সদস্য দেশ থেকে আসা নাগরিকদের কোনও ছাড় দিতে চায় না বরিস সরকার।

উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত ব্রিটেনের লেবার মার্কেটে EU ছাড়া অন্য দেশের অভিজ্ঞ কর্মীরা মূলত টিয়ার-২ ভিসার মাধ্যমেই প্রবেশ করতেন। তবে এক্ষেত্রে ন্যূনতম বেতন হতে হবে ৩০ হাজার পাউন্ড। অনভিজ্ঞ বা সদ্য প্রশিক্ষণ শেষ করা কর্মীদের ক্ষেত্রে জন্য ২০ হাজার ৮০০ পাউন্ড আয় ধার্য হয়েছিল।  প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে’র আমলে ন্যূনতম বেতন কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার মনে করছে, সেই নিয়মের ফলে বহু যোগ্য প্রার্থীকে হারিয়েছে ব্রিটেন। বেতন ও পেশার মধ্যে বৈষম্যের কারণেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছিল। এই সমস্যা সমাধানে, আগামী বছর নতুন অভিবাসন আইনে ন্যূনতম আয়ের অঙ্ক কমানোর পথে হাঁটতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার মতো ‘পয়েন্ট সিস্টেম’ চালু করতে চাইছেন তিনি। 

অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিতেই অনেকে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।কনজারভেটিভ পার্টির অনেকের মত ন্যূনতম আয়ের অঙ্ক কমালে অভিবাসন বাড়বে। উল্লেখ্য, ২০১০ সাল থেকেই দলের নীতি হচ্ছে অভিবাসীদের সংখ্যা প্রতিবছর ১ লক্ষের নিচে রাখা। মাইগ্রেশন ওয়াচ ইউকে নামে একটি সংস্থা জানিয়েছে, পয়েন্ট ভিত্তিক ব্যবস্থা চালু হলে ব্রিটেনে অভিবাসীদের সংখ্যা বাড়তে পারে। এদিকে, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে নয়া রূপরেখা তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ব্রিটেনে আসা অভিবাসীদের সংখ্যা কমানো হবে। পাশাপাশি বরিসের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘মন্ত্রীর উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, সকলেই এখন জেনে গিয়েছে যে স্বাধীনভাবে ঘোরাফেরা বন্ধ হতে চলেছে। আমাদের সীমান্ত এখন আমরাই নিয়ন্ত্রণ করব।’       

[আরও পড়ুন: ভারতে আর্থিক মন্দা সাময়িক, স্বস্তির বার্তা দিলেন IMF প্রধান]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং