Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Modi-Putin

মোদি-পুতিনের সেলফি মার্কিন কংগ্রেসে! ভারতকে রাশিয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন ট্রাম্পই, দাবি ডেমোক্র্যাটদের

সম্প্রতি এক দিনের ভারত সফরে এসেছিলেন পুতিন। দিল্লির বিমানবন্দরে নামার পর মোদির সঙ্গে একই গাড়িতে করেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে যান তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ১৬:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ১৬:১৫

options
link
মোদি-পুতিনের সেলফি মার্কিন কংগ্রেসে! ভারতকে রাশিয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন ট্রাম্পই, দাবি ডেমোক্র্যাটদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিদেশনীতির কারণেই ভারত এবং রাশিয়ার সম্পর্ক আরও গাঢ় হচ্ছে। নয়াদিল্লি আরও বেশি করে ঝুঁকছে মস্কোর দিকে। মার্কিন কংগ্রেসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Modi-Putin) সেলফি দেখিয়ে এমনই অভিযোগ করলেন ডেমোক্র্যাটেরা।

সম্প্রতি এক দিনের ভারত সফরে এসেছিলেন পুতিন। দিল্লির বিমানবন্দরে নামার পর মোদির সঙ্গে একই গাড়িতে করেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে যান তিনি। গাড়িতে করে যাওয়ার সময় মোদি এবং পুতিন একসঙ্গে সেলফিও তুলেছিলেন। সেই ছবি পরে প্রকাশ্যে আসে। পুতিনও পরে জানান, একসঙ্গে গাড়িতে করে যাওয়ার প্রস্তাব তিনিই দিয়েছিলেন। তিনিই চেয়েছিলেন, এই যাত্রা ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্বের প্রতীক হয়ে থাকুক।

Advertisement

মার্কিন কংগ্রেসে আমেরিকার বিদেশনীতি নিয়ে আলোচনায় মোদি-পুতিনের সেই সেলফিই হঠাৎ ভেসে উঠল! সেলফি দেখিয়ে ডেমোক্র্যাট সদস্য সিডনি কামল্যাগার-ডাভ অভিযোগ করেন, ওয়াশিংটনের বর্তমান বিদেশনীতির কারণেই মস্কোর আরও কাছাকাছি চলে যাচ্ছে নয়াদিল্লি। ওয়াশিংটন নয়, এখন নয়াদিল্লিই দু’দেশের সম্পর্ক নিয়ে তেমন ভাবিত নয়। ডেমোক্র্যাট সদস্যের কথায়, “ট্রাম্পের নীতির কারণেই আমাদের নাক কাটা যাচ্ছে। ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে যে কৌশলগত সম্পর্ক, আস্থা এবং বিশ্বাস এত দিন ছিল, তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।” এর পরেই মোদি এবং পুতিনের সেলফি দেখিয়ে সিডনি বলেন, “এই ছবিই অনেক কথা বলে দিচ্ছে। কৌশলগত সহযোগীকে প্রতিপক্ষের দিকে ঠেলে দিয়ে আপনি (ট্রাম্পের উদ্দেশে) নোবেল পুরস্কার পাবেন না।” ওয়াশিংটনকে অবিলম্বে নীতি বদলানোর পরামর্শও দিয়েছেন ওই ডেমোক্র্যাট সদস্য।

ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে কম দামে রাশিয়ার থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আপত্তি ট্রাম্প প্রশাসনের। এ নিয়ে একাধিকবার নয়াদিল্লিকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও ভারত তাতে কান দেয়নি। এর পর অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে টানাপড়েন চলাকালীন ট্রাম্পের কিছু কার্যকলাপেও দু’দেশের সম্পর্কে অবনতি হয়। তাঁর কারণে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। ভারত তা-ও অস্বীকার করেছে। নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে এই টানাপড়েনের মধ্যে ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্কও চাপিয়েছেন ট্রাম্প। তা নিয়ে জটিলতা এখনও কাটেনি। এ সবের মধ্যেই পুতিনের ভারত সফর স্বাভাবিক ভাবেই ওয়াশিংটনের চিন্তা বাড়িয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.