১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

এনএসজি-তে ভারতের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে আফ্রিকা সফরে রাষ্ট্রপতি

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 12, 2016 2:30 pm|    Updated: June 12, 2016 2:30 pm

An Images

নন্দিতা রায়: পরমাণু প্রযুক্তি, জ্বালানি ও কাঁচামাল সরবরাহকারী দেশগুলির গোষ্ঠী নিউক্লিয়ার্স সাপ্লায়ার্স গ্রুপে (এনএসজি) ভারতের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আফ্রিকা মহাদেশ সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়৷ এনএসজি-তে ভারতের অন্তর্ভুক্তির জন্য আফ্রিকার সদস্য দেশগুলির কাছে তদ্বির করবেন তিনি৷ আজ রবিবার থেকেই প্রণববাবুর আফ্রিকা সফর শুরু হচ্ছে৷ এই সফরে তিনটি দেশে যাবেন তিনি৷ প্রথমে যাবেন পশ্চিম আফ্রিকার ঘানায়৷ তারপর আইভরি কোস্টে৷ সবশেষে নামিবিয়ায় শেষ হবে তাঁর সফর৷ এই তিনদেশের মধ্যে প্রণববাবুর নামিবিয়া সফরটি তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে৷ এর মধ্যে দিয়েই ভারতের এনএসজিতে সদস্যপদ পাওয়ার বিষয়টি আরও খানিকটা প্রশস্ত হবে বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল৷

ভারতের এনএসজি সদস্যপদ নিয়ে চলতি মাসের ২০ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত সিওলের বৈঠকে আলোচনা হবে৷ তার আগেই জুন মাসের ১৫ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির নামিবিয়া সফর রয়েছে৷ এই সফরে তিনি ভারতের এনএসজি সদস্যপদ পাওয়ার বিষয়ে নামিবিয়া-সহ আফ্রিকার দেশগুলির সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করবেন বলেই ধারণা৷ এনএসজি সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে নিরস্ত্রীকরণের যে প্রধান ইস্যু রয়েছে সে বিষয়ে প্রণববাবুর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে৷ ইউপিএ জমানায় বিদেশ মন্ত্রী থাকাকালীন তিনিই প্রথম চিঠি লিখে আর্ন্তজাতিক নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে ভারতের দায়বদ্ধতার কথা জানিয়েছিলেন৷ সেইসময় এবিষয়ে বিবৃতিও দিয়েছিলেন তিনি৷ আর তাতেই ভারতের এনএসজি সদস্যপদ পাওয়ার বিষয়টি আলোকিত হয়েছিল বলেই মনে করা হয়৷ পরমাণু জ্বালানি ইউরেনিয়ামের বিপুল ভাণ্ডার রয়েছে নামিবিয়ায়৷ ইউরেনিয়ামের সঞ্চয়ে বিশ্বে তারা চতুর্থ স্থানে রয়েছে৷ এক সময় নামিবিয়া ভারতকে পারমাণু জ্বালানি সরবরাহ করতেও রাজি হয়েছিল৷ যদিও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি৷ আফ্রিকার দেশগুলির নিজস্ব নিরস্ত্রীকরণ চুক্তিতেই তা আটকে গিয়েছিল বলে অনুমান৷ প্রণববাবু নামিবিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে ভারতের বর্তমান অবস্থান তুলে ধরবেন বলে মনে করা হচ্ছে৷ আর তাতে নামিবিয়ার কাছ থেকে ইউরেনিয়াম সরবরাহ ও এনএসজি সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে আফ্রিকার দেশগুলির সমর্থন পাওয়ার রাস্তা সুগম করবে বলেই কূটনৈতিকমহল মনে করছে৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement