২০ শ্রাবণ  ১৪২৭  বুধবার ৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: August 19, 2019 2:31 pm|    Updated: August 19, 2019 6:34 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘোষণা আগেই হয়েছিল। সেইমতো চলতি মাসেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘অর্ডার অব জায়েদ’ পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, আগামী ২৩ ও ২৪ আগস্ট আমিরশাহী সফরে যাবেন মোদি। তখনই তাঁকে আমিরশাহীর সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হবে। এই প্রথম নয়, গত পাঁচবছরে একাধিক দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘সিওল পিস প্রাইজ’ পেয়েছিলেন মোদি। রাশিয়াও মোদিকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করেছে। এবার পালা আমিরশাহীর।

[আরও পড়ুন: ‘অসাধারণ কিছু করার ক্ষমতা আছে তোমাদের’, ভুটানি পড়ুয়াদের বললেন মোদি]

এ বছর এপ্রিল মাসেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর যুবরাজ ঘোষণা করেন তাঁর ‘প্রিয় বন্ধু’ মোদিকে এই সম্মান দেওয়া হবে। আবু ধাবির যুবরাজ টুইট করে বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক যোগাযোগ রয়েছে। আমার প্রিয় বন্ধু মোদি সেই যোগাযোগ দৃঢ়তর করে তুলেছেন। এই অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট তাঁকে জায়েদ পদক প্রদান করবেন। তবে, তখন এই পুরস্কার প্রদানের সময় বা তারিখ জানানো হয়নি। জায়েদ মেডেল বা অর্ডার অব জায়েদ হল আমিরশাহীর সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান। বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট, রাজা বা অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধানকে ওই পদক দেওয়া হয়। এর আগে ওই সম্মান পেয়েছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ, ইরিট্রিয়ার প্রেসিডেন্ট ইসাইয়াস আফওয়েরকি।পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশারফ, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ।

[আরও পড়ুন: দক্ষিণ কোরিয়ায় ভারতবিরোধী স্লোগান, পাক নাগরিকদের রুখলেন বিজেপি নেত্রী]

কাশ্মীর ইস্যুতে যখন পাকিস্তান গোটা বিশ্বের মুসলিম দেশগুলিকে একত্রিত করার চেষ্টা করছে, তখন সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ভারতের পাশেই দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তান চেষ্টা করছে আন্তর্জাতিক ফোরামগুলিতে ভারতের বিরুদ্ধে জনমত জোগাড় করার। সেই উদ্দেশ্যে যথেচ্ছ প্রচার বা অপপ্রচারও চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমিরশাহীর মতো মুসলিমপ্রধান দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পাওয়া মোদিকে কূটনৈতিকভাবেও বাড়তি সুবিধা দেবে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। আসলে বেশ কয়েক মাস আগে ঘোষণা করা হলেও, কাশ্মীরকে দেওয়া বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা প্রত্যাহার করার পরই মোদিকে সম্মান তুলে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত বাড়তি তাৎপর্যপূর্ণ। অনেকেই বলছেন, এর মাধ্যমে আমিরশাহী বুঝিয়ে দিল কাশ্মীর ইস্যুতে তাঁরা পুরোপুরি ভারতের পাশেই আছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement