BREAKING NEWS

২১ শ্রাবণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

করোনা মোকাবিলার মতোই জরুরি পরিবেশ বাঁচানো, জোরাল দাবি পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: June 22, 2020 2:10 pm|    Updated: June 22, 2020 8:52 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা শিক্ষা দিয়েছে বিশ্বকে। মহামারী রুখতে যে জরুরিভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু হয়েছে, সেই একই তৎপরতায় কাজ করতে হবে জলবায়ু পরিবর্তন আটকাতেও। এমনই মনে করছে কিশোরী পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সুইডিশ কিশোরী বলছে, বছর বছর পরিকল্পনা গ্রহণ করে কোনও লাভ হবে না। জলবায়ু বদলের সমস্যাকে চূড়ান্ত সমস্যা হিসেবে ধরে নিয়েই এগোতে হবে সমাধানের পথে। যেমনটা হল করোনা পরিস্থিতির জেরে।

ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউনের মধ্যে থাকতে হয়েছে বিশ্ববাসীকে। ঘরবন্দি ছিল গ্রেটাও। মাঝেমধ্যে ভিডিও কনফারেন্সে পরিবেশ বিষয়ক আলোচনায় অংশ নিলেও, পথে নেমে কাজ করার সুযোগ হয়নি। কিশোরী পরিবেশকর্মীর ধারণা, এই সময়ের মধ্যেই অর্থাৎ করোনা নিয়ে ভয়াবহতার মাঝেই মানুষ বুঝতে পেরেছেন, পরিবেশ বাঁচানোও খুব জরুরি। এখন তাঁদের দৃষ্টি পড়েছে আশেপাশের পরিবেশের দিকে, এবং সচেতনও হচ্ছেন। এই ভাল দিকটি কাজে লাগিয়েই অত্যন্ত দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মত গ্রেটার।

[আরও পড়ুন: আমফানে ‘মৃত’ অশ্বত্থে প্রাণ প্রতিষ্ঠা, সৌজন্যে কলকাতার ESI হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীরা]

এমনিতেই ‘ঠোঁটকাটা’ হিসেবে গ্রেটা থুনবার্গের কম কুখ্যাতি নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রকাশ্য মঞ্চে কটাক্ষ করতে সে ছাড়েনি। এবারের সাক্ষাৎকারেও সেই সুর বজায় রাখল কিশোরী পরিবেশকর্মী। গত বছর রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু সংক্রান্ত সম্মেলনে যোগ দেওয়ার অভিজ্ঞতা ভাগ করতে গিয়ে সে ফের রাষ্ট্রনেতাদের কাঠগড়ায় তুলল। তার বক্তব্য, মঞ্চে দাঁড়িয়ে সে পরিবেশ বাঁচানোর সতর্কতা হিসেবে যা যা বলেছিল, তার অধিকাংশই কেউ মন দিয়ে শোনেনি। বরং সকলে তার সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিল। এ প্রসঙ্গে সরাসরি জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মর্কেলের নাম করেই সুইডিশ কিশোরী জানায়, তিনি নাকি জিজ্ঞেসই করে বসেছিলেন যে গ্রেটার সঙ্গে তার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলে গ্রেটার কোনও আপত্তি হবে কি না। তাঁদের এসব আচরণ মোটেই পছন্দ হয়নি কিশোরী পরিবেশকর্মীর।

[আরও পড়ুন: আকাশ থেকে তীব্র গতিতে এসে পড়ল ধাতব চাঁই, বিকট শব্দে কাঁপল এলাকা]

জলবায়ু পরিবর্তন রুখে পরিবেশ বাঁচাতে রাষ্ট্র যে বিশেষ দায় নেবে না, সে সম্পর্কে প্রায় নিশ্চিত গ্রেটা থুনবার্গ। সে মনে করে, ‘গ্রিন রিকভারি প্ল্যান’-এর মতো খাতায়-কলমে গৃহীত কোনও পরিকল্পনায় কাজ হবে না। বারবার সাধারণ মানুষের কথা বলতে চাইছে। লকডাউনে গৃহবন্দি থেকে পরিবেশ বাঁচানোর গুরুত্ব তাঁরা টের পেয়েছেন। তাই পরিবেশ রক্ষায় তাঁরাই হবেন আসল কারিগর, এমনই মনে করছে গ্রেটা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement