সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্রিটিশ নিলাম সংস্থা ক্রিস্টিজের তত্ত্বাবধানে বিক্রি হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) আঁকা একটি ছবি। নিলাম সংস্থার কমিশন-সহ নামহীন ছবিটি বিক্রি হয়েছে পাঁচ লক্ষ পাউন্ডে। ভারতীয় মূল্যে যা দাঁড়াচ্ছে পাঁচ কোটি টাকারও বেশি!
নামহীন ছবিটিকে ক্রিস্টিজের ওয়েবসাইটে ‘যুগল’ বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়েছিল ছবিটির মূল্য উঠতে পারে ৮৮ লক্ষ থেকে ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার মধ্যে। কিন্তু সেই অনুমানকে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়ে আরও কয়েক গুণ বেশি দামেই তা বিক্রি হল। তবে ছবিটি কে কিনেছেন তা অবশ্য ব্রিটিশ সংস্থার তরফে জানানো হয়নি।

[আরও পড়ুন: মাঝ আকাশ থেকে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ রাশিয়ার সামরিক বিমান]
১৯৩০ নাগাদ রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং ২২.৮ ইঞ্চি লম্বা এবং ২০ ইঞ্চি চওড়া এই ছবিটি দিয়েছিলেন এডিথ অন্দ্রে নামের এক ব্যক্তিকে। সেই ছবিটিই এবার নিলামে তোলা হল। দক্ষিণ এশিয়ার আধুনিক শিল্পকলার খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ ড্যামিয়েন ভেসে জানিয়েছেন, রবীন্দ্রনাথের ১৬০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষেই ছবিটির নিলাম করা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের বেশির ভাগ ছবির মতো এই ছবিটিরও কোনও নাম দেওয়া ছিল না। তিনি যে রবীন্দ্রনাথের এত বড় ছবি আগে দেখেননি তা জানিয়ে ভেসের মন্তব্য, ”ওঁর কোনও ছবিতেই এত নরম ভাব নেই।” তাঁর মতে, যা তিনি তাঁর লেখায় প্রকাশ করতে পারেননি তাকে বোঝাতেই রবীন্দ্রনাথ ছবি আঁকতেন। তাঁর ছবি থেকে রবীন্দ্রনাথকে বিচ্ছিন্ন করাও সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছেন তিনি।
দীর্ঘ জীবনে নিজের বহুমুখী প্রতিভার নানা স্বাক্ষর বহু ক্ষেত্রেই রেখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। কিন্তু জীবনের একেবারে সায়াহ্নে এসে তিনি মন দেন ছবি আঁকাতেও। ১৯২৮ সাল থেকে ১৯৪১ সাল পর্যন্ত সময়কালে প্রায় দু’হাজার ছবি এঁকেছিলেন তিনি। ক্যানভাস কিংবা তেলরং নয়, কাগজ, রঙিন কালি ও জল রঙে আঁকা প্রবীণ রবীন্দ্রনাথের ছবি চমকে দিয়েছিল শিল্পরসিকদের।
[আরও পড়ুন: আফগানভূমে নয়া সমীকরণ, তালিবান শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক চিন-রাশিয়া-পাক প্রতিনিধিদের]
সর্বশেষ খবর
-
২০২০ সালে ধর্মীয় সভার নামে হাজির আইএসআই কর্তারা! সমাবেশের আড়ালেই পাক চর নিয়োগ নেপালে?
-
‘এবার তলোয়ার চালাব’, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটারদের খোঁচা পন্থের, ‘ভাগ করে খাওয়ার’ পরামর্শ সরফরাজের
-
স্টান্টের সময় মাথায় আঘাতে স্মৃতি উধাও জ্যাসমিনের! কনকাশন কী, কেন এমন হয়?
-
ইমরান ম্যাজিকে ফিকে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’, তবুও সানিকেই সমর্থন, ভূয়সী প্রশংসা হেমার
-
ফাঁসি না প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন! ‘মানবিক’ মৃত্যুদণ্ডের আর্জিতে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?