সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার সিরিয়ায় ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন বাশার আল আসাদ৷ তিনি এখন রাশিয়ায়। এরই মধ্যে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং রবিবার রাতেই মস্কো পৌঁছেছেন। বিশ্লেষকরা বিশ্ব-রাজনৈতিক কারণে রাজনাথের তিনদিনের এই সফরকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।
জানা গিয়েছে, এই সফরে রাজনাথ সিং রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোউসভের সঙ্গে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে কথা বলবেন। এছাড়া আজই তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন। সফর শেষে রাশিয়া ভারতীয় নৌবাহিনীর হাতে তুলে দেবে যুদ্ধজাহাজ আইএনএস তুশিল। সেই অনুষ্ঠানে ভারতের নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠীও থাকবেন। এই যুদ্ধজাহাজে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রী সামরিক ও সামরিক প্রযুক্তির বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের আন্তঃ সরকারি কমিশনের বৈঠকে সবিস্তারে কথা বলবেন। সেখানে সামরিক সহয়োগিতার পুরো বিষয়টি নিয়ে দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথা হবে। তাছাড়া দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়েও কথা হবে।
রাশিয়ার কাছ থেকে আরও দুটি এস ৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাবে ভারত। ২০১৮ সালে পাঁচটি এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কেনা নিয়ে ভারত ও রাশিয়ার চুক্তি হয়েছিল। তার মধ্যে দুটি হাতে পাওয়া বাকি রয়েছে। এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও খুবই উন্নত মানের। আইএনএস তুশিল যুদ্ধজাহাজটির ওজন ৩৯০০ টন। এটি ১২৫ মিটার দীর্ঘ। এটি রাশিয়ান এবং ভারতীয় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের একটি দুর্দান্ত মিশ্রণ। এটি তালওয়ার শ্রেণির স্টিলথ ফ্রিগেটের অংশ এবং এটি রাশিয়ার যন্ত্র শিপইয়ার্ডে নির্মিত। এই জাহাজটি সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ৫৯ কিমি বেগে চলতে পারে। ১৮ জন অফিসার এবং ১৮০ জন সেনা এই যুদ্ধজাহাজে মোতায়েন করা যাবে, যারা ৩০ দিন টানা সমুদ্রে থাকতে পারবে।
সর্বশেষ খবর
-
‘থিমের নামে ডিমের প্যান্ডেল নয়’, প্রতিমা নিয়েই বা কী বলছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ?
-
মুসলিম চরিত্রে সানিকে মেনে নেয়নি দর্শক, ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ ব্যর্থতায় দেওলকেই দায়ী করলেন শাবানা আজমি!
-
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কঠিন প্রতিপক্ষের সামনে আর্সেনাল, তুলনায় স্বস্তিতে বার্সা-রিয়াল
-
মমতার এক ইশারায় বন্ধ রাস্তা! ‘ছাড়া হবে না’, হাই কোর্টের নির্দেশ ভাঙায় এফআইআরের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
-
সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক নাড্ডার, সরকারের অবস্থান কী? প্রশ্ন ককরোচ পার্টির