২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

‘র‍্যাপিড টেস্ট কিটে কোনও সমস্যা নেই’, অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি চিনা প্রস্তুতকারী সংস্থার

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: April 24, 2020 8:07 pm|    Updated: April 24, 2020 8:47 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনা টেস্ট কিটে কোনও সমস্যা নেই। যদি সমস্য থেকেই থাকে তাহলে তা রয়েছে ভারতীয়দের ব্যবহারের পদ্ধতিতে। এ পর্যন্ত চিনা চেন্ট কিটের গুণগত মান নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে দেশে। বারংবার প্রশ্ন করা হয়েছে চিনা টেস্ট কিন নিয়ে। কিন্তু সেই সকল অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে টেস্ট কিট বিফল হওয়ার সমস্ত দায় চাপাল ভারতের উপরেই।

ভারতের করোনা আক্রান্তদের পরীক্ষা করতে চিনের দুটি সংস্থার থেকে পাঁচ লক্ষ টেস্ট কিট আমদানি করা হয়। ওন্ডফো বায়োটেক (Wondfo Biotech ) ও লিভজোন ডায়াগনোস্টিক্স (Livzon Diagnostics) থেকে এই কিটগুলি নেওয়া হয়। এই কিটগুলি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয় করোনা আক্রান্তদের চিহ্নিত করার জন্য রাজস্থান ও পশ্চিমবঙ্গ থেকেই এই টেস্ট কিটের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় ও জানান হয় পরীক্ষায় সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। আইসিএমআর-এর (ICMR) তরফ থেকে প্রথমে র‍্যাপিড টেস্ট কিট ব্যাবহারে নিষেধ করা হয়। পরে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় র‍্যাপিড টেস্ট কিট ব্যবহার করার পারমর্শ দেওয়া হয়। আসিএমআরের তরফ থেকে এ ও জানান হয় যে, কঠোরভাবে পরীক্ষা চালানোর সময় এই টেস্ট কিট ব্যবহার করতে হবে যদি সঠিক ফল না প্রকাশ হয় তাহলে সংস্থাগুলির কাছে অভিযোগ জানান হবে। প্রয়োজনে তাদের কাছে ভাল কিট পাঠানোর দাবি জানান হবে। বিগত কয়েকদিন ধরে করোনার র‍্যাপিড টেস্ট কিটের গুনগত মান নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় এই দুই চিনা প্রস্তুতকারক সংস্থা দাবি করে যে কিটের গুণগত মান সঠিক। তবে ভারতীয়দের ব্যবহার পদ্ধতি ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় সঠিক ফল পাওয়া যায়নি। এই প্রস্তুতকারী সংস্থাদুটি ভারতীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের পদ্ধতি দেখে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।

[আরও পড়ুন:‘এখন ঘরই আমাদের মন্দির-মসজিদ-গুরুদ্বার, ঘরে বসেই প্রার্থনা করুন’, বললেন মুখ্যমন্ত্রী]

যদিও ভারতের বিশেষজ্ঞরা জানান র‍্যাপিড টেস্ট কিট নির্মাণের সংস্থাগুলি খুব তাড়াহুড়ো করে বানায়। তাই তাঁদের মতে, “বিশ্বপ্যাপী এই টেস্ট কিট ব্যবহারের জন্য পাঠানোর আগে চিনা সংস্থাগুলি সঠিকভাবে তা পরীক্ষা করে দেখেনি। কারণ করোনার সংক্রমণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারেও টেস্ট কিটের চাহিদা বাড়তে থাকায় এই সংস্থা দুটি খুব কমই মানুষের উপরে র‍্যাপিড টেস্ট কিট ব্যবহার করেছেন।” টেস্ট কিটের গুণগত মান নিয়ে প্রস্ন ওঠায় মঙ্গল ও বুধবার এই দুদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ হর্ষ বর্ধন কিট ব্যবহার নিষেধ করেন ও খারাব কিটের পরিবর্তে ভাল কিট আনার ব্যবস্থা করেন। তবে আজ থেকেই উঠে গেল সেই নিষেধাজ্ঞা। অন্যদিকে আসিএমআরের গাইডলাইন অনুযায়ী, করোনা উপসর্গ প্রবল থাকলে আরটি-পিসিআর (RT-PCR) টেস্ট কিট ব্যবহার করা যাবে।

[আরও পড়ুন:রাস্তায় শুয়েই ঘুমোচ্ছেন পুলিশকর্মীরা, করোনা যোদ্ধাদের কুর্নিশ নেটদুনিয়ার]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement