Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাম্প

সীমান্ত নিয়ে তুঙ্গে ভারত-চিন বিবাদ, মধ্যস্থতার প্রস্তাব প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

লাদাখ সীমান্তে ক্রমেই আগ্রাসী হয়ে উঠছে চিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২০, ১৭:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২০, ১৭:৩৬

options
link
সীমান্ত নিয়ে তুঙ্গে ভারত-চিন বিবাদ, মধ্যস্থতার প্রস্তাব প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রাতদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখ সীমান্তে ক্রমেই আগ্রাসী হয়ে উঠছে চিন। ‘সুচাগ্র মেদিনী’ না দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করে রুখে দাঁড়িয়েছে ভারতও। ফলে দু’দেশের মধ্যে তৈরি হয়েছে যুদ্ধের পরিস্থিতি। এহেন সময়ে সংঘাত আটকাতে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

[আরও পড়ুন: ‘যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও’, সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই চিনা সেনাকে নির্দেশ জিনপিংয়ের]

বুধবার, নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে ট্রাম্প লেখেন, “আমরা ভারত ও চিন দু’দেশকেই জানিয়েছি যে তাদের মধ্যে সীমানা নিয়ে চলা বিবাদে মধ্যস্থতা করতে রাজি এবং সক্ষম আমেরিকা।” তাৎপর্যপূর্ণভাবে, করোনা মহামারির জন্য চিনকে বারবার কঠাগড়ায় তুলেছেন ট্রাম্প৷ সম্প্রতি, হংকংয়ে চিনের নীতি নিয়ে সরব হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷ সে ক্ষেত্রে চিনের উপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা চাপানোর পরিকল্পনাও করছেন বলে জানিয়েছেন তিনি৷ বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও চিনের মধ্যে করোনা আবহে যুদ্ধ চাইছে না আমেরিকা। এই মুহূর্তে এশিয়ায় শান্তি বজায় রাখার পক্ষেই হোয়াইট হাউস। কিন্তু চিনা আগ্রাসন ঠেকাতে এবং বেজিংকে চাপে রাখতে নয়াদিল্লির পাশেই দাঁড়াবে ওয়াশিংটন। বিশ্বমঞ্চে মার্কিন স্বার্থে চিন যে আঘাত দিয়েছে তা এবার ভারতকে পাশে রেখে কিছুটা পুষিয়ে নিতে চাইছে আমেরিকা।

উল্লেখ্য, গালওয়ানে চিনা সেনার আগ্রাসী সমরসজ্জায় অশনি সংকেত দেখছে সাউথ ব্লক। দ্রুত সংঘাতের আবহ না কাটলে চিন ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধ একপ্রকার আসন্ন বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল-এর কাছে এবার চিনা সেনার প্রস্তুতি আগেরবারের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। গালওয়ান উপত্যকায় গত দু’সপ্তাহে ১০০টিরও বেশি তাঁবু খাটিয়েছে পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)। সেনা সূত্রে খবর, প্যাংগং সো আর গালওয়ান উপত্যকায় অতিরিক্ত দু’ থেকে আড়াই হাজার সেনা মোতায়েন করেছে চিন। গালওয়ানে বেশ কয়েকটি বাঙ্কার তৈরিরও চেষ্টা চালাচ্ছে বেজিং। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বিতর্কিত এলাকাগুলিতে সেনা সমাবেশ বাড়িয়েছে ভারতও। ফলে, ২০১৭-র ডোকলাম পরিস্থিতির পর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত ও চিনের মধ্যে ফের চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ল্যাবে রয়েছে তিনটি সক্রিয় করোনা ভাইরাস, চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি চিনের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.