Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬

ফুঁসছে ‘ড্রাগন’, রক্তাক্ত যুদ্ধের হুমকি জিনপিংয়ের 

সরাসরি সংঘাতের সূচনা করতে পারে লালফৌজ!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০১৯, ১৫:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০১৯, ১৫:২৮

options
link
ফুঁসছে ‘ড্রাগন’, রক্তাক্ত যুদ্ধের হুমকি জিনপিংয়ের  zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত, জাপান, আমেরিকা-সহ কয়েকটি দেশকে লক্ষ্য করে রক্ত জল করা হুমকি দিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। কড়া ভাষায় বললেন, পাহাড় হোক সমুদ্র, সমতল হোক বা দ্বীপ, কোথাও কোনও দেশকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়ব না। দরকারে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের জন্য আমরা তৈরি।

সম্প্রতি জিনপিংকে চিনের আজীবন প্রেসিডেন্ট হিসাবে ঘোষণা করেছে চিনের সর্বশক্তিমান কমিউনিস্ট পার্টি। তাতে অনুমোদন দিয়েছে ‘রাবার স্ট্যাম্প’ চিনের পার্লামেন্টও। জিনপিংকে সর্বকালের সেরা শক্তিশালী প্রেসিডেন্ট হিসাবেও তুলে ধরা হচ্ছে। ‘কট্টর জাতীয়তাবাদী’ জিনপিংয়ের অতিরিক্ত ক্ষমতায়ন হতেই তিনি নিজের ক্ষমতা জাহির করতে শুরু করে দিলেন। তারই ফল হল এই হুমকি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গি দমনের ডাক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের]

চিনা পার্লামেন্ট ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের সমাপ্তি অধিবেশনে ৩০ মিনিটের ভাষণ দিতে গিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলির প্রতি এই ‘যুদ্ধবার্তা’ দেন জিনপিং। তবে কোনও দেশের নাম করেননি। কোনও বিতর্কিত প্রসঙ্গও তোলেননি। কিন্তু সাফ জানান, চিনা জাতি ও চিনা জনগণের নীতি একটাই, কোথাও কাউকে এক ইঞ্চি জমি বা এক ইঞ্চি সীমানাও ছাড়া হবে না। সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক সীমানার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না। চিনারা অদম্য এবং অতি সাহসী জাতি। নিজেদের স্বাধীনতা ও সীমান্ত রক্ষা করার জন্য যে কোনও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ লড়তে তাঁরা তৈরি।

পরোক্ষে আমেরিকাকে বার্তা দিয়ে জিনপিং বলেন, গোটা বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ১৭০ বছর ধরে চিন অপেক্ষা করেছে। এখন সময় এসেছে বিশ্ব জুড়ে চিনের  প্রাধান্য ও স্বপ্নকে প্রতিষ্ঠা করার। ১৩০ কোটি চিনা নাগরিকের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে হবে। জিনপিং বলেন, “আমরা নিশ্চিত, বিচ্ছিন্নতাবাদী ও চিন বিরোধী জোটকে পরাস্ত করে আমরা চিনের আধিপত্য গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে পারব।” আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, জিনপিংয়ের এই উসকানিমূলক ভাষণ ভবিষ্যতে অন্য দেশের সঙ্গে চিনের সরাসরি সংঘাতের সূচনা করল। বিশ্বে চিনা আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তারের জন্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন জিনপিং। যা অন্য দেশগুলিকে চিন বিরোধী সামরিক জোট তৈরিতে বাধ্য করবে।

[বহু বিতর্কের মধ্যেই চতুর্থবার রাশিয়ার মসনদে পুতিন]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.