Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
শরণার্থী

মার্কিন মুলুকে ‘অভিবাসী তাড়াও’ অভিযান শুরু দ্রুতই, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

একাধিক শহরে শুরু হচ্ছে তল্লাশি অভিযান৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৯, ১৪:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৯, ১৪:৩৫

options
link
মার্কিন মুলুকে ‘অভিবাসী তাড়াও’ অভিযান শুরু দ্রুতই, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগেই ঘোষণা করেছিলেন, অবৈধ অভিবাসীদের এবার সপরিবার ‘ঘাড়ধাক্কা’ দিয়ে তাড়াতে হবে।
প্রয়োজনে জোর খাটিয়ে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় ছড়িয়ে থাকা অভিবাসীদের এক জায়গায় আনতে হবে। সেই মতো কাজ
শুরু করেও শেষ মুহূর্তে পিছু হঠেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কংগ্রেসকে দু’সপ্তাহ সময় দিয়েছিলেন। এবার তিনি নিজেই জানালেন, অভিবাসী তাড়ানোর কাজ শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। শুক্রবার অভিবাসী সংক্রান্ত একটি বৈঠকে এমনটাই জানিয়েছেন ট্রাম্প।

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানেই দাউদ, ২৫ বছর পর প্রকাশ্যে ডনের ছবি]

বিশেষজ্ঞদের কথায়, “২০২০ তে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখেই এগোচ্ছেন ট্রাম্প। প্রতিপক্ষকে এতটুকু জমি ছেড়ে দেবেন না। আর তাই প্রথা ভেঙে ৪ জুলাই অর্থাৎ স্বাধীনতা দিবসে ট্যাঙ্ক-কুচকাওয়াজের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে শক্তি প্রদর্শন। এবং অভিবাসী হঠানোর অভিযান।” গত মাসের শেষ সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন অভিবাসন এবং শুল্ক বিভাগ (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) জানিয়ে দিয়েছিল, এক রবিবার ভোর রাত থেকে শুরু হচ্ছে তল্লাশি অভিযান। এক দিনেই অন্তত ২০০০ পরিবারকে চিহ্নিত করে তাঁদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। হিউস্টন, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো, বালটিমোর, সান ফ্রান্সিসকো, মায়ামির মতো ১০টি শহরে এক সপ্তাহ ধরে চলবে তল্লাশি অভিযান। চলবে দেদার ধরপাকড়ও। কিন্তু একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে প্রেসিডেন্ট নিজেই সেই অভিযান আপাতত দু’সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করেছিলেন৷ তখন টুইটারে প্রেসিডেন্ট জানান, বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন বলেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত। বলেছিলেন, “দক্ষিণ সীমান্তে নিরাপত্তা এবং শরণার্থীদের আশ্রয়, অধিকার ইত্যাদি নিয়ে যে সব জটিলতা আছে, আশা করব, ডেমোক্র্যাট-রিপাবলিকানরা তা দু’সপ্তাহের মধ্যেই আলোচনায় মিটিয়ে ফেলবেন।”

Advertisement

তথ্য বলছে, দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে আমেরিকায় ঢুকেছেন৷ তাই ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অভিযোগ করে এসেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টের গদিতে বসার পর পরই ট্রাম্প এনিয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়ায় ধরপাকড়ে প্রচুর শিশু তাদের বাবা-মায়ের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ট্রাম্পের নীতি নিয়ে গোটা বিশ্বে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ বার যাতে সেই রকম কিছু না ঘটে তার জন্য আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব কেভিন ম্যাক অ্যালিনান। ফলে মার্কিন সীমান্তে আশ্রয় নেওয়ার শরণার্থীদের ফের আশ্রয়হারা হতে চলেছে৷

[আরও পড়ুন: হিজাব পরায় কানাডায় শিক্ষকতা বন্ধ নোবেলজয়ী মালালার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.