Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Ayman al-Zawahiri

মৃত আল কায়দা প্রধান আয়মান আল-জওয়াহিরি, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

আফগানিস্তানের কোনও এক স্থানে মৃত্যু হয়েছে জওয়াহিরির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২০, ০৮:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২০, ০৮:৪০

options
link
মৃত আল কায়দা প্রধান আয়মান আল-জওয়াহিরি, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মৃত্যু হয়েছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল কায়দার (Al Qaeda) প্রধান আয়মান আল জওয়াহিরির। শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ওসামা বিন লাদেনের পর সবথেকে কুখ্যাত ওই জঙ্গি নেতার। এমনটাই খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে।

[আরও পড়ুন: বিপাকে ইমরান সরকার, পাক যুদ্ধবিমান মিরাজের আধুনিকীকরণে স্পষ্ট ‘‌না’ ফ্রান্সের]

আরব নিউজ-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে প্রায় এক মাস আগেই আফগানিস্তানের কোনও এক স্থানে মৃত্যু হয়েছে জওয়াহিরির। এই সংবাদ সত্যি হলে নিঃসন্দেহে বড় সমস্যার মুখে পড়বে আল কায়দা। ১৯৮৮ সালে পাকিস্তানের পেশোয়ারে ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে যৌথভাবে আল কায়দা প্রতিষ্ঠা করেছিল মিশরীয় চিকিৎসক জওয়াহিরি। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের একাধিক সূত্র উদ্ধৃত করে আরব নিউজ জানিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিল আল কয়দা প্রধান। মার্কিন হামলার ভয়ে চিকিৎসার জন কোথাও যেতে পারছিল না সে। তাই একপ্রকার বিনা চিকিৎসায় আফগানিস্তানের গোপন ডেরায় মৃত্যু হয়েছে তার। তবে এনিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেনি আল কায়দা।

Advertisement

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই ইজরায়েলের (Israel) গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হাতে খতম হয়েছে আল কায়দার দ্বিতীয় সর্বশক্তিমান ব্যক্তি আবদুল্লা আহমেদ অবদুল্লা ওরফে আবু মহম্মদ আল মাসরি। ইরানের রাজধানী তেহরানের রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার সময় আবদুল্লা ও তার মেয়েকে গুলি করে হত্যা করে এক মোটরসাইকেল আরোহী। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, গত আগস্ট মাসে ‘আমেরিকার নির্দেশে’ এই কাজ করেছে মোসাদের কুখ্যাত গুপ্তঘাতকরা। আল কায়দা (Al Qaeda) নেতা আবদুল্লার হত্যার কথা প্রথম জানা যায় ‘The New York Times’-এর একটি প্রতিবেদনে। লাগাতার চলা অভিযানের ফলে আল কায়দার শীর্ষ নেতাদের অধিকাংশই নিকেশ হয়েছে। ১৯৯৮ সালে পূর্ব আফ্রিকায় মার্কিন দূতাবাসে হামলায় অভিযুক্ত ছিল আবদুল্লা। ওই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন অন্তত ২০০ জন মানুষ। সব মিলিয়ে রীতিমতো বেকায়দায় পড়েছে সংগঠনটি। 

[আরও পড়ুন: চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহে ফের তাইওয়ান সফরে মার্কিন আধিকারিক]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.