২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

প্রশাসনের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ, প্রকাশ্যে শরীরে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী রাশিয়ার সাংবাদিক

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: October 3, 2020 3:27 pm|    Updated: October 3, 2020 3:27 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিনা কারণে বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালিয়েছিল পুলিশ। সরকারের বিরুদ্ধে খবর করার জন্যই এই ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ। মানসিক এই হেনস্তার প্রতিবাদে রাশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি অফিসের সামনে নিজের শরীরে আগুন লাগিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক মহিলা সাংবাদিক। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে ৪০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত নিঝনেই নোভগোরোদ শহরে। মৃত ওই মহিলার ইরিনা স্লাভিনা (Irina Slavina)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিঝনেই নোভগোরাদ (Nizhny Novgorod) শহরে কোঝা প্রেস নামে একটি স্থানীয় নিউজ পোর্টালের প্রধান সম্পাদক হিসেবে বর্তমানে কাজ করতেন ইরিনা। শুক্রবার আচমকা তাঁকে ওই শহরে অবস্থিত রাশিয়া (Russia)’র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি অফিসের সামনে নিজের শরীরে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করতে দেখা যায়। এক ব্যক্তি তাঁকে বারবার বাঁচানোর চেষ্টা করলেও ইরিনা নিজের জেদে অনড় ছিলেন। তাই কোনওভাবেই তাঁকে বাঁচানো যায়নি। মৃত্যুর আগে পুতিনের প্রশাসনকে তীব্র আক্রমণ করে ফেসবুকে ওই মহিলা লেখেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য আমি আপনাদের রাশিয়ান ফেডারেশনকে দায়ী করতে বলছি।’

[আরও পড়ুন: দেশের ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ ভাবমূর্তি রক্ষার চেষ্টা, ইসলামিক মৌলবাদের বিরুদ্ধে সরব ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ]

তার ঠিক আগের দিন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অন্য একটি ফেসবুকে পোস্ট রাশিয়ার সরকারের তুমুল সমালোচনা করেছিলেন ইরিনা। লিখেছিলেন ,’গণতন্ত্রে বিশ্বাস রাখা একটি সংগঠনের লিফলেট ও অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত কাগজ খোঁজার নাম করে তাঁর বাড়িতে আচমকা ১২ জন লোক ঢুকে পড়েছে। পুরো বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কম্পিউটার ও নথিপথ বাজেয়াপ্ত করে। এমনকী তাঁর নোটবুকগুলি, সমস্ত ইলেকট্রনিক্স জিনিস, মেয়ের ল্যাপটপ ও স্বামীর মোবাইল নিয়ে চলে যায়।’

এদিকে ওই মহিলা সাংবাদিকের আত্মহত্যার জন্য তারা দায়ী নয় বলে দাবি করা হয়েছে স্থানীয় পুলিশের তরফে। এপ্রসঙ্গে পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, ইরিনার বাড়িতে কোনও তল্লাশি চালানো হয়নি। আর কোনও অভিযোগ না থাকায় তাঁর নামে কোনও মামলাও হয়নি। শুধু একটি মামলার বিষয়ে তাঁর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ১০ বছরেও ডেটিং অ্যাপে মেলেনি বান্ধবী, নিজেকেই ‘‌বিক্রি’র বিজ্ঞাপন দিলেন দুঃখে কাতর ব্যক্তি]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement