Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Islamist radicalism

‘ধর্মনিরপেক্ষ’ ভাবমূর্তি রক্ষার চেষ্টা, ইসলামিক মৌলবাদের বিরুদ্ধে সরব ফরাসি প্রেসিডেন্ট

ইতিমধ্যে সেখানে হিজাব পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০২০, ১৫:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০২০, ১৫:৪৯

options
link
‘ধর্মনিরপেক্ষ’ ভাবমূর্তি রক্ষার চেষ্টা, ইসলামিক মৌলবাদের বিরুদ্ধে সরব ফরাসি প্রেসিডেন্ট zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফ্রান্সের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি রক্ষা করতে ইসলামিক মৌলবাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ (Emmanuel Macron)। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে লাগাতার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শপথ নিলেন। ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধের ধারণাকে বজায় রেখে দেশজুড়ে কঠোর আইন প্রণয়নেরও ইঙ্গিত দিলেন। এই বিষয়টি কেন্দ্র করে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বিশ্বজুড়ে।

শুক্রবার এপ্রসঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ইসলাম (Islam) এমন একটি ধর্ম যা আজ বিশ্বজুড়ে সংকটে রয়েছে। শুধু মাত্র যে আমাদের দেশেই যে এই ধরনের ঘটনা চোখে পড়ছে তা কিন্তু নয়। তবে আমরা কোনওভাবেই ফ্রান্সের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তিতে কাউকে আঘাত হানতে দেব না। নতুন করে অভিযান চালিয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও পাবলিক সেক্টর থেকে ধর্মকে সরিয়ে দেওয়া হবে। নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি বজায় রাখার জন্য যে সমস্ত স্কুল ও মসজিদ বিদেশে থেকে টাকা পায় তাদের উপর কড়া নজরদারি চলবে।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত ট্রাম্পের আরোগ্য কামনা, কী ‘‌বার্তা’ দিলেন শেহওয়াগ ]

এর জন্য ১৯০৫ সালে প্রণয়ন হওয়া ফ্রান্সের ধর্মীয় নিরপেক্ষতার আইনকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা চলছে বলেও শুক্রবার জানান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। তিনি আরও বলেন, ‘ধর্মনিরপেক্ষতা হচ্ছে ঐক্যবদ্ধ ফ্রান্সের সিমেন্ট। কিন্তু, কট্টরপন্থী ইসলামিক মৌলবাদীদের জন্য তার ক্ষতি হচ্ছে। আমরা কোনওভাবেই এই ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে বাড়তে দিতে পারি না। তাই ১৯০৫ সালে যে আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্র থেকে চার্চকে আলাদা করা হয়েছিল তাতে আরও সংশোধন করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বর মাসে সংসদে অনুমোদন করিয়ে তা দেশজুড়ে লাঘু করা হবে। যেসমস্ত স্কুল ও খেলা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান বিদেশ থেকে অনুদান পায়, তারা যাতে কোনওভাবে ইসলামিক শিক্ষাদানের মাধ্যমে দেশের মধ্যে জঙ্গি বানানোর আখড়া তৈরি না করতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।’

[আরও পড়ুন: ১০ বছরেও ডেটিং অ্যাপে মেলেনি বান্ধবী, নিজেকেই ‘‌বিক্রি’র বিজ্ঞাপন দিলেন দুঃখে কাতর ব্যক্তি]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.