Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
করোনা ভ্যাকসিন

থামছে না রাশিয়া, এবার আরও একটি ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে সাফল্যের দাবি পুতিনের দেশের

ফের তাড়াহুড়ো করার অভিযোগ রাশিয়ার বিরুদ্ধে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২০, ১১:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২০, ১১:২৮

options
link
থামছে না রাশিয়া, এবার আরও একটি ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে সাফল্যের দাবি পুতিনের দেশের zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একটাতেই থেমে নেই রাশিয়ার ভ্যাকসিনের জয়যাত্রা।‘স্পুটনিক ভি’ ভ্যাকসিন নিয়ে টানাপড়েনের মাঝেই দ্বিতীয় ভ্যাকসিনের কথা সামনে আনল পুতিনের দেশ। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে স্পুটনিক ভ্যাকসিন তৈরি করেছে গ্যামেলিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট। দ্বিতীয় ভ্যাকসিন ‘এপিভ্যাককরোনা’ (EpiVacCorona) বানিয়েছে ভেক্টর স্টেট রিসার্চ সেন্টার অফ ভাইরোলজি অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি।

এই ভ্যাকসিনের তৃতীয় স্তরের ট্রায়াল চলছে। জানা গেছে সেপ্টেম্বরেই ট্রায়াল শেষ হবে। ভেক্টর স্টেট রিসার্চের ভাইরোলজিস্টরা বলেছেন, প্রথম দফায় ৫৭ জনের শরীরে টিকা দেওয়া হয়েছিল। প্রথম ডোজ দেওয়ার ১৪-২১ দিনের মাথায় দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়। দেখা গেছে, প্রত্যেকের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের মতে, করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে তাড়াহুড়ো করেছে রাশিয়া। খোদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও রাশিয়ার টিকার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। খোদ পুতিন সরকারের রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী কয়েকদিন আগেই জানান যে, তাঁদের তৈরি ‘স্পুটনিক ভি’ (Sputnik V) ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরুই হয়নি। এবার দ্বিতীয় ভ্যাকসিনের কথা শুনেও অনেকেই বলছেন, আগে প্রথম টিকার ট্রায়ালের রিপোর্ট সামনে আনুক রাশিয়া। তবে রাশিয়ার একটি সূত্র বলছে, দ্বিতীয় টিকারও কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার পরে প্রত্যেকের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এমনকী এই প্রতিষেধকটিরও কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অক্টোবরের মধ্যেই বাজারে আসবে করোনার ভ্যাকসিন, এবার দাবি মার্কিন সংস্থার]

এদিকে, রাশিয়ার (Russia) সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে আমেরিকা এবং চিনও। এক চিনা সংস্থা ইতিমধ্যেই কার্যকরী এবং উপযোগী করোনা ভ্যাকসিন তৈরির দাবি জানিয়ে ফেলেছে। মার্কিন সংস্থা ফাইজারও শুক্রবার দাবি করেছে, তাঁদের তৈরি ভ্যাকসিনের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ফলাফল ভাল। এবং তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালও শুরু হয়েছে। অক্টোবরেই তা শেষ হবে। এবং শেষ হলেই তাঁরা ভ্যাকসিন রিভিউয়ের জন্য পাঠাবে। অর্থাৎ সার্বিকভাবে বলতে গেলে এই মুহূর্তে ভ্যাকসিন নিয়ে আমেরিকা, রাশিয়া এবং চিনের এক অঘোষিত ঠাণ্ডা লড়াই শুরু হয়ে যাচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.