Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
S Jaishankar

মিউনিখে জোর বিতর্ক, পাশ্চাত্যকে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা বোঝালেন প্রাচ্যের জয়শংকর

সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়েছে, সম্মেলনে দাবি করেন প্রাচ্যের প্রতিনিধিরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৫, ২০:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৫, ২০:৩২

options
link
মিউনিখে জোর বিতর্ক, পাশ্চাত্যকে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা বোঝালেন প্রাচ্যের জয়শংকর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৮৯৩ সালে শিকাগো বিশ্বধর্ম মহাসম্মেলনের ভাষণে প্রথমবার পাশ্চাত্যের সামনে প্রাচ্য সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন ভারতীয় সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ। ১৩২ বছর পর ২০২৫ ফ্রেব্রুয়ারিতে সেই প্রসঙ্গ উঠল জার্মানির মিউনিখে রাষ্ট্রপ্রধানদের একটি আলোচনা সভায়। আলোচনার বিষয় ছিল আধুনিক বিশ্বে গণতন্ত্রের শক্তি ও সংকট। ভারতের তরফে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর যেখানে স্পষ্ট করেন, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সভ্যতায় ‘গণতন্ত্রে’র ধারণার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। মার্কিন সেনেটর এলিসা স্লটকিনের মন্তব্য—গণতন্ত্র জনতার টেবিলে খাবার পরিবেশন করবে না, এই মতেরও বিরোধিতা করেন জয়শংকর। কী বলেছেন তিনি?

মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নেন নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস ঘার স্টোর, মার্কিন সেনেটর এলিসা স্লটকিন, পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরের মেয়র রাফাল ত্রজাস্কোস্ক এবং ভারতের জয়শংকর। বিতর্ক সভায় প্রাচ্যের প্রতিনিধিরা দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়েছে। দিল্লি বিধানসভা ভোটের উদাহরণ টেনে এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমার আঙুলে এখনও কালি লেগে রয়েছে। কিছু মনে করবেন না, এটা ভোট দেওয়ার চিহ্ন। আমাদের রাজ্যে (দিল্লি) সদ্য নির্বাচন হয়েছে। গত বছর আমাদের জাতীয় নির্বাচন হয়েছিল। ভারতে নির্বাচনে যোগ্য ভোটারদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দেন।… আমরা একদিনেই ভোট গণনা করি।” জয়শংকর জানান, ভারতে একদশকে ভোটদান বেড়েছে ২০ শতাংশ। বলেন, “অতএব, প্রথম বার্তাটি হল যে গণতন্ত্র বিশ্বব্যাপী সমস্যায় রয়েছে, আমি দুঃখিত, আমাকে এই বক্তব্যের সঙ্গে ভিন্ন হতে হবে।”

Advertisement

বিতর্ক সভায় একটা সময় মার্কিন সেনেটর এলিসা স্লটকিন মন্তব্য করেন, গণতন্ত্র জনতার টেবিলে খাবার পরিবেশন করবে না। এই মতের বিরোধিতা করে জয়শংকর বলেন, “প্রকৃতপক্ষে, আমাদের গোলার্ধে বিশ্বে এটা করা হয়। কারণ, আমরা একটি গণতান্ত্রিক সমাজ। আমরা ৮০০ মিলিয়ন মানুষের পুষ্টির ব্যবস্থা করি, খাদ্য দিই। যাদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এটা করা, তাদের পেট কতটা ভরছে সেটা একটা বিষয়।” জয়শংকর বক্তব্য, বিশ্বর সব অংশের পরিস্থিতি এক নয়। তিনি বলেন, “দয়া করে একটিকে ভিত্তি করে অন্যটিকে অনুমান করবেন না।” গোটা বিতর্ক সভায় প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মিল ও অমিল দুই দিক তুলে ধরেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.