Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Japan

কলেজের ড্রামার থেকে দেশের ক্ষমতায়, প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী পেল জাপান

দেশের অর্থনীতি-সহ একাধিক বিষয়ে পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জের মুখে সানায়ে তাকাইচি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০২৫, ১৫:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০২৫, ১৫:১১

options
link
কলেজের ড্রামার থেকে দেশের ক্ষমতায়, প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী পেল জাপান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জনতার আস্থা, দেশের সুরক্ষা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আগের অবস্থায় ফেরানোর মতো একাধিক কঠিন চ্যালেঞ্জ। রাজনীতির বাঘা বাঘা নেতাদের হারিয়ে সেই চ্যালেঞ্জই জিতলেন জাপানের সানায়ে তাকাইচি। আর সেইসঙ্গে ‘সূর্যোদয়ের দেশে’র রাজনীতিতে সূচনা হয়ে গেল এক নতুন অধ্যায়ের। প্রথমবার মহিলা প্রধানমন্ত্রী পেল জাপান – বছর চৌষট্টির সানায়ে তাকাইচি। সব ঠিক থাকলে চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার থেকে দায়িত্ব বুঝে নেবেন তিনি। বসবেন দেশের প্রধানমন্ত্রীর কুরসিতে।

জাপানের রাজনীতিতে সানায়ে তাকাইচির উত্থান বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কলেজ জীবনে ছিলেন ড্রামার। তারপর ধীরে ধীরে রাজনীতিতে প্রবেশ, প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারকে রোল মডেল করে। পুরুষ আধিপত্যের মাঝে নিজেকে ‘লৌহমানবী’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার কাজটা সহজ ছিল না মোটেই। এই মুহূর্তে জাপানে ক্ষমতাসীন লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি বা LDP-তে তাকাইচির মতো যোগ্য নেতার সংখ্যা নগণ্যই। তাই দলীয় ভোটাভুটিতেও নিজের দলের দু’জনকে হারিয়ে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর পদটি ছিনিয়ে নিয়েছেন। একদা আভ্যন্তরীণ সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন তাকাইচি। চিনের কড়া সমালোচক ছিলেন তিনি।

Advertisement
জাপানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।

এখন প্রধানমন্ত্রীর পদে বসে বেশ কয়েকটি কঠিন বিষয়ের মোকাবিলা করা তাকাইচির কাছে চ্যালেঞ্জের। এই মুহূর্তে অভিবাসী সমস্যায় জর্জরিত জাপান। সেইসঙ্গে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশ হিসেবে নিজেদের অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাও জরুরি। আয়-ব্যয়ের বিষয়ে নাকি তাকাইচি বেশ কঠোর। অকারণ ব্যয় তিনি যেমন পছন্দ করেন না, তেমন জনতার হাতে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান থাকা জরুরি বলেও মনে করেন। এই দুয়ের সামঞ্জস্য বজায় রেখে আর্থিক সমস্যার সমাধান করতে হবে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে।

এছাড়া বছর তিনেক আগে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে আততায়ীদের গুলিতে নিহত হওয়ার পর জাপানের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। বিগত দুই প্রধানমন্ত্রীর জমানায় সেই প্রশ্নচিহ্ন মুছে যায়নি। এবার প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকাইচি সুরক্ষার দিকে বাড়তি নজর দিতে চান। রাজনীতিতে মহিলাদের অংশগ্রহণ নিয়ে অত্যন্ত সদর্থক ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। এবার তাতে আরও জোর দেবেন। আগামী ১৫ অক্টোবর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার মেয়াদ শেষ হবে। তারপরই প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন সানায়ে তাকাইচি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.