Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Saudi Arab

শরীরচর্চায় মনোযোগী সৌদি, এবার যোগাসন, প্রাণায়ম করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা

২০৩০ সালের মধ্যে নিজেদের ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নতি করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ সৌদির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২৩, ২১:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২৩, ২১:২৫

options
link
শরীরচর্চায় মনোযোগী সৌদি, এবার যোগাসন, প্রাণায়ম করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফ্রি হ্যান্ডস, যোগাসন (Yoga), প্রাণায়ম – সমবেত শরীরচর্চার ছবিটা দেখা যায় বিশ্বের প্রায় সব দেশে। আর এই শরীরচর্চার জন্য আঁটো পোশাক প্রয়োজন। কিন্তু আরব দেশে তো হাজারও পোশাকবিধি রয়েছে। টি-শার্ট, ট্র্যাকপ্যান্টস পরে খোলা মাঠে কিংবা বিশাল হলঘরে সকলের যোগাসন, জিম করার অনুমতি মিলবে কি না, তা নিয়ে ঘোর সংশয় ছিল। অথচ নিজেদের গোঁড়ামি ভেঙে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাসন চালু করছে সৌদি আরব (Saudi Arab)। জানা গিয়েছে, একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই মর্মে চুক্তি হয়েছে।

সৌদি যোগা কমিটির প্রেসিডেন্ট নওফ আল-মারওয়াই জানিয়েছেন, যোগাসনের উপকারিতা সম্পর্কে দেশবাসীকে অবগত করতে এই পদক্ষেপ তাঁদের। এ ব্যাপারে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁরা প্রস্তাব জানিয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলি (Universities) তাতে সম্মত হয়েছে। ফলে এবার থেকে সৌদির উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগাসন চলবে। আপাতত কয়েকমাসের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে তা চালানো হবে। মারওয়াই জানাচ্ছেন, শুধু শারীরিক সুস্থতা নয়, যোগা, প্রাণায়াম (Pranayam) মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্যও অত্যন্ত জরুরি। ক্রীড়াক্ষেত্রে শরীরচর্চার সুবিধা নিয়ে জনগণকে সচেতন করা এর একটা লক্ষ্য।

Advertisement

[আরও পড়ুন: চল্লিশের বেশি ধর্ষণ, ‘সিরিয়াল রেপিস্ট’ আক্কু যাদবকে আদালত কক্ষেই পিটিয়ে মারে নির্যাতিতারা!]

আসলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ক্রীড়াক্ষেত্রে (Sports) সৌদি আরব বড় ভূমিকা নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে শরীরচর্চায় জোর দেওয়া হচ্ছে। একেবারে তৃণমূল স্তর থেকে তা করতে চায় সৌদি যোগা কমিটি। নানা ধরনের আসন, প্রাণায়াম, ধ্যানের মতো যোগাসনের একাধিক ক্রিয়াকলাপ শরীর ও মনকে সতেজ করে তোলে। মারওয়াইয়ের কথায়, “হয়ত অনেকেই আছেন, যারা বিভিন্ন আসন প্রদর্শনে দক্ষ, আমরা তা জানি না। সেসবও আমরা বুঝতে পারব। সকলের মধ্যেকার সুপ্ত প্রতিভা সামনে আসবে। যা পরবর্তীতে খেলাধুলার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে।”

[আরও পড়ুন: ‘সতর্ক হোক তৃণমূল, নইলে গোটা বাংলা সাগরদিঘি হবে’, সাবধানবাণী ত্বহা সিদ্দিকির]

এর আগে রিয়াধে (Riyadh) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া বিভাগ এবং সে দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত এক সেমিনারে যোগাসনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। তারপরই এই প্রক্রিয়া শুরু। যোগাসনের গুরুত্ব বুঝে সৌদি আরবের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাচ্ছেন সকলে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.