সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সৌদি আরবে বন্ধ হল প্রকাশ্যে চাবুক মারা। এমনটাই জানিয়েছে সে দেশের মানবাধিকার কমিশন। দীর্ঘদিন ধরে শাস্তি প্রদানের এই প্রথা বিলোপ হওয়ায় সৌদি আরবে সংস্কারের ছোঁয়া লেগেছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
[আরও পড়ুন: করোনা যুদ্ধে জয়ের ইঙ্গিত ইটালির! ৪ মে থেকেই শিথিল হচ্ছে লকডাউন]
জানা গিয়েছে, সৌদি আরবে একগুচ্ছ আর্থিক, প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক সংস্কার আনতে পদক্ষেপ করেছেন সে দেশের রাজা ও প্রভাবশালী যুবরাজ মহম্মদ-বিন-সলমন। এবার থেকে চাবুক মারার বদলে সম্ভবত শাস্তি হতে চলেছে কারাদণ্ড অথবা জরিমানা, বা দুটোই এক সঙ্গে। কয়েকদিন আগেই পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয় সৌদি আরবের বিখ্যাত মানবাধিকার কর্মী অবদুল্লা-আল হামিদের (৬৯)। চাবুকের আঘাতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর থেকেই সোচ্চার হয়ে ওঠে মানবাধিকার সংগঠনগুলি। এই প্রতিবাদের জেরেই চাবুক মারা নিষিদ্ধ হয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, হত্যা থেকে শুরু করে সামান্য চুরির অপরাধেও দোষী সাব্যস্ত হলে চাবুক মারার বিধান ছিল ইসলামিক দেশটিতে। অনেক সময় দোষী ব্যক্তিকে একশোটিরও বেশি চাবুক মারার সাজা দেওয়া হত। অনেকেই সেই যন্ত্রণা সইতে না পেরে প্রাণ ত্যাগ করত।
এই প্রসঙ্গে সৌদির মানবাধিকার কমিশনের প্রেসিডেন্ট আওয়াদ আলাওয়াদ মন্তব্য করেছেন, সে দেশের মানবাধিকার রক্ষা ক্ষেত্রে চাবুক মারা বন্ধ করা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সৌদি আরবে এখনও যে সব মধ্যযুগীয় প্রথা প্রচলিত রয়েছে, সেগুলির মধ্যে রয়েছে চুরির শাস্তিতে হাত কেটে নেওয়া, খুন বা সন্ত্রাসবাদে মাথা কেটে ফেলা। এগুলি এখনও বেআইনি ঘোষিত হয়নি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর মধ্য প্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর অ্যাডাম কুগল বলেছেন, চাবুক মারা বন্ধ হলে তা স্বাগত জানানো হবে কিন্তু এই পরিবর্তন দীর্ঘদিন আগে হওয়া উচিত ছিল।
[আরও পড়ুন: ডায়েরিতে ইউহানের সেই অভিজ্ঞতা, খুনের হুমকি চিনের মুক্তমনা লেখিকাকে]
সর্বশেষ খবর
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে
-
ভুল নিয়মে পরলেই ঘোর অমঙ্গল, শুক্রের কৃপা পেতে কীভাবে হিরে ধারণ করবেন?
-
হামের মারণ হানা বাংলাদেশে, গত চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ৬০৫