Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

গলায় দুধ আটকেই মৃত্যু শিশুর, দেহ বাড়ির বাইরে ফেলে দিয়েছিল বাবা

অবশেষে দোষ স্বীকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৭, ০৫:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৭, ০৫:১৩

options
link
গলায় দুধ আটকেই মৃত্যু শিশুর, দেহ বাড়ির বাইরে ফেলে দিয়েছিল বাবা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  তিন বছরের শেরিন ম্যাথিউস নিখোঁজ রহস্যে অবশেষে যবনিকা পতন। দুধ খেতে গিয়ে বিষম লেগেই মৃত্যু হয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভুত ছোট্ট শেরিনের। যদিও সব দেখেশুনেও নির্বিকার ছিল তার পালক বাবা। শিরিনের দেহ তিনিই বাড়ির বাইরে ফেলে দিয়ে এসেছিলেন। অবশেষে পুলিশের সামনে সত্যিটা স্বীকার করে নিলেন ওয়েসলি ম্যাথিউস।

বানচাল নাশকতার ছক, বাংলাদেশে গ্রেপ্তার কুখ্যাত জেএমবি জঙ্গি ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত ১৭ দিন ধরে নিখোঁজ ছিল শেরিন। উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন খোদ বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। কালঘাম ছুটেছিল টেক্সাস পুলিশের। কিন্তু কিছুতেই হিসেব মেলানো যাচ্ছিল না। ওয়েসলি জানিয়েছিলেন, গত ৭ অক্টোবর মেয়েকে দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। কিছুতেই সে তা খেতে চাইছিল না। তখন তাকে সবক শেখাতেই বাড়ির বাইরে রেখে দিয়ে এসেছিলেন। মিনিট পনেরো পরে গিয়ে দেখেন মেয়ে আর নেই। তারও বহুক্ষণ পরে পুলিশের কাছে নালিশ জানানো হয়। উদ্ধারকাজ শুরু হয়। কিন্তু কিছুতেই মেয়েটির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এদিকে মেয়ের মা জানিয়েছিলেন, তিনি এ ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। কেননা সে সময় তিনি ঘুমোচ্ছিলেন। তাতেই খটকা লেগেছিল পুলিশের। অবশেষে ওয়েসলির বয়ানে ধোঁয়াশা কাটল।

যৌন হেনস্তার আখড়া ইউরোপের পার্লামেন্ট, বিস্ফোরক অভিযোগে তোলপাড় ]

বিহারের এক অনাথ আশ্রম থেকে শেরিনকে দত্তক নিয়েছিলেন এই দম্পতি। পুলিশ সূত্রে খবর, সেদিন রাতে দুধ খেতে চাইছিল না মেয়েটি। জোর করেই তাকে তার বাবা দুধ খাওয়ায়। তখনই বিষম লাগে। গলায় দুধ আটকে দমবন্ধ হয়ে যায় শেরিনের। ওয়েসলি দেখেন, মেয়ের শ্বাস পড়ছে না। নাড়িতেও স্পন্দন নেই। এরপরই মেয়েক মৃত ধরে নিয়ে বাড়ির বাইরে গর্ত খুঁড়ে মাটি চাপা দিয়ে দেন ওয়েসলি। সে দেহ উদ্ধার হয়েছে। ফরেনসিক তদন্তের মাধ্যমে, এ দেহ যে শেরিনেরই সে ব্যাপারেও নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। প্রথম বয়ানে এ সত্য গোপন করেছিলেন তিনি। শেষমেশ অবশ্য স্বীকার করলেন। বয়ানের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগেও তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়, যদিও জামিনে মুক্ত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে এ কাজে আর কে কে জড়িত ছিলেন তাঁদেরও খোঁজ চলছে। পুরো ঘটনায় শেরিনের মায়ের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.