Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
চিন

চিনে নারকীয় হামলা, স্কুলের মধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের এলোপাথারি কোপ নিরাপত্তারক্ষীর

হাসপাতালে ভরতি ৩৯ জন পড়ুয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২০, ১৪:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২০, ১৪:০১

options
link
চিনে নারকীয় হামলা, স্কুলের মধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের এলোপাথারি কোপ নিরাপত্তারক্ষীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের স্কুলে নারকীয় হামলা। ক্লাস চলাকালীন ছোট ছোট ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকের উপর চলল হামলা। ছুরি দিয়ে এলোপাথারি কোপ(Stabbing) মারা হল তাঁদের। যদিও প্রাণহানির কোনও ঘটনা ঘটেনি। গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন ৩৯ জন পড়ুয়া ও শিক্ষক। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে চিনের (China) ওয়াংফুর একটি স্কুলে। পুলিশে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, স্কুলের নিরাপত্তারক্ষীই আচমকা হামলা চালিয়েছে। কিন্তু হামলার কারণ নিয়ে ধন্দ এখনও কাটেনি।

সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ দক্ষিণ চিনের স্বশাসিত গুয়াংজি ঝুয়াং অঞ্চলের একটি স্কুলে ঘটনাটি ঘটেছে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ৮টি অ্যাম্বুল্যান্স। আহতদের উঝাউ শহরের হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে আহতদের মধ্যে স্কুলের প্রধান, একজন পড়ুয়া এবং অপর এক নিরাপত্তারক্ষীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

Advertisement

[আরও পড়ুন : করোনা আক্রান্ত ছিলেন জর্জ ফ্লয়েড, ময়নাতদন্তের পর প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য]

স্থানীয় ওয়াংফু প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ছুরি হামলায় ৩৭ জন পড়ুয়া এবং দু’জন বয়স্ক মানুষ আহত হয়েছে। চিনের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, লিং শাওমিন নামে বছরের ৫০-এর এক নিরাপত্তারক্ষী পড়ুয়াদের উপর হামলা চালিয়েছে। সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। তবে কী কারণে এই হামলা, তা এখনও জানা যায়নি।

[আরও পড়ুন :বাড়ল সংঘাত, এবার চিনা বিমান প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল আমেরিকা]

চিনে অবশ্য এই ধরণের হামলার ঘটনা নতুন নয়। ২০১৮ সালে অক্টোবরে পশ্চিম চিনের চোংকুইন শহরের কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ছুরি নিয়ে হামলা চালান এক মহিলা। তাতে আহত হয়েছিল ১৪ জন পড়ুয়া। তার আগে ২০১০ সালের স্কুলে একাধিক হামলায় কমপক্ষে ২০ জন জখম হয়েছিলেন। সবক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে রাগের কারণেই এই হামল হয়েছে। অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষীর ব্যক্তিগত আক্রোশ ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.