Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
নোতর দাম

প্রতিশ্রুতিই সার, নোতর দামকে এক পয়সাও দিলেন না ধনকুবেররা

গত ১৫ এপ্রিল ভয়াবহ আগুনে বিস্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঐতিহাসিক স্থাপত্যটি৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০১৯, ১২:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০১৯, ১২:৫৪

options
link
প্রতিশ্রুতিই সার, নোতর দামকে এক পয়সাও দিলেন না ধনকুবেররা zoom
২০১৯ সালে পুড়ে যাওয়া নোতর দাম গির্জা। ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিশ্রুতিই সার৷ প্যারিসের বিখ্যাত নোতর দাম গির্জার পুনর্নির্মাণে এখনও পর্যন্ত এক পয়সাও দেননি ফরাসি ধনকুবেররা৷ গত ১৫ এপ্রিল ভয়াবহ আগুনে বিস্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঐতিহাসিক স্থাপত্যটি৷

[আরও পড়ুন:  নোতর দাম পুনর্নির্মাণে অর্থ সংগ্রহ ফরাসি প্রেসিডেন্টের, এগিয়ে এলেন শিল্পপতিরা]

Advertisement

 নোতর দাম অগ্নিকাণ্ড ফ্রান্সের ইতিহাসে অন্যতম দুর্যোগ বলেই গণ্য হচ্ছে৷ ঘটনার পর আবেগতাড়িত হয়ে গির্জাটিকে ফের স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনতে বিপুল অর্থসাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ফরাসি শিল্পপতিরা৷ তবে সেই আশ্বাস ‘কথার কথা’ হয়েই থেকে গিয়েছে৷ প্রায় দু’মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত এক সেন্টও দেননি ধনকুবেররা৷ বরং গির্জার সংস্কারে এগিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষ৷ বিশেষ করে মার্কিন ও ফরাসি নাগরিকদের একটা বড় অংশ যে যাঁর সামর্থ মতো অনুদান দিয়েছেন ‘নোতর দাম চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন’-এ। সেই অর্থেই আপাতত চলছে সংস্কারের কাজ। বর্তমান গির্জাটির সংস্কারের কাজ করছেন প্রায় ১৫০ জন কর্মী৷ তাঁদের বেতন দিচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলি৷ চলতি মাসেই বেসরকারি উদ্যোগে ৪০ লক্ষ মার্কিন ডলার অর্থসাহায্য পেয়েছেন ক্যাথিড্রাল কর্তৃপক্ষ।

 নোতর দাম গির্জার মুখপাত্র অঁদ্রে ফিনো সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, “এখনও পর্যন্ত এক সেন্টও দেননি ধনকুবেররা৷ সাহায্যের অর্থ কোথায় এবং কীভাবে খরচ করা হবে তা জানতে চেয়েছেন তাঁরা৷ জবাবে সন্তুষ্ট হলে তবেই সংস্কারের জন্য প্রতিশ্রুতি মতো টাকা দেবেন তাঁরা৷” উল্লেখ্য, ঘটনার পর ফরাসি কোটিপতিরাই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ১০০ কোটি ডলার সাহায্য করবেন। কেউ কেউ আবার নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শন করতে, একে অন্যকে টেক্কা দিতে আরও বড় অঙ্কের অর্থ হাঁকতে থাকেন। তা নিয়ে বিস্তর সমালোচনাও হয়েছিল তখন। প্রতিশ্রুতিদাতাদের মধ্যে ছিলেন, বিখ্যাত ফরাসি শিল্পপতি ফ্রাঁসোয়া অঁরি পিনো, ফরাসি শক্তি সংস্থা ‘টোটাল’-এর সিইওপ্যাট্রিক পয়াঁ, বের্নার্ড আর্নো৷                  

 ১১৬৩ খ্রিস্টাব্দে রাজা লুইয়ের আমলে শুরু হয়েছিল নোতর দাম গির্জা তৈরির কাজ। ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে বানানো এই বিশাল ঐতিহ্যমণ্ডিত গির্জাটি প্রকৃত অর্থেই পৃথিবীর স্থাপত্যের ইতিহাসের এক অনিবার্য দলিল হিসেবে চিহ্নিত হয়। তবে শতকের পর শতক ধরে বহু বিপদেরও সম্মুখীন হতে হয়েছে ৬৯ মিটার অর্থাৎ ২২৬ ফুট উচ্চতার এই গির্জাকে। ১৭৯০ সালে ফরাসি বিপ্লবের সময় এই গির্জার ভিতরে থাকা বহু স্থাপত্য ও চারুকলা একেবারে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। ফরাসি ‘গথিক’ স্থাপত্যকীর্তির অন্যতম আকর্ষণীয় নিদর্শন হিসেবে গণ্য করা হয় এই গির্জাকে। প্রতি বছর অন্তত ১.৩ কোটি মানুষ এই গির্জা দেখতে আসতেন। এখন ফের নতুন করে নোতর দামের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ গড়ে ওঠার অপেক্ষায় অগণিত মানুষ৷

[আরও পড়ুন: হাতি মেরে খাচ্ছে বাঘ, করবেটের কাণ্ডে চিন্তিত বনবিদরা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.