Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
South Korea

বরখাস্ত দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট, বিপদ বাড়ল ইওলের

দেশে সামরিক আইন আইন জারি করতে চেয়েই জনরোষে পড়তে হয়েছিল তাঁকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৪, ১২:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৪, ১২:১৮

options
link
বরখাস্ত দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট, বিপদ বাড়ল ইওলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বরখাস্ত (ইমপিচমেন্ট) হলেন ইউন সুক-ইওল। শনিবার ওই দেশের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ভোটাভুটিতে বরখাস্তের দাবির পক্ষেই অধিকাংশ ভোট পড়ল। যার ফলে বিপদ বাড়ল ইওলের। দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক আইন (মার্শাল ’ল) জারির ঘোষণার পর থেকেই দেশের বড় অংশের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তিনি। সামরিক আইন জারির ঘোষণার পর থেকেই ইওলকে বরখাস্তের দাবি তোলেন বিরোধীরা। পার্লামেন্টে বরখাস্তের প্রস্তাবও আনেন তাঁরা।

গত সপ্তাহে পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে বিরোধীরা বরখাস্তের প্রস্তাবের পক্ষে প্রয়োজনীয় ভোট সংগ্রহ করতে পারেননি। তবে তাঁরা জানিয়েছিলেন আবার ইওলের বরখাস্তের প্রস্তাব পেশ করবেন। শনিবার ভোটাভুটিতে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ২০৪ জন পার্লামেন্ট সদস্য। ৩০০ জনের মধ্যে মাত্র ৮৫ জন সদস্য প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোটদান করেছেন। বাকি ১১ জনের মধ্যে তিন জন অনুপস্থিত ছিলেন। আট জনের ভোট বাতিল হয়। অর্থাৎ, তাঁর দল পিপ্‌লস পাওয়ার পার্টির অনেক সদস্যই ইওলকে বরখাস্তের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এদিকে, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে প্রস্তাব পাস হয়ে যাওয়ায় ইওলকে তাঁর দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা হল। তবে যত দিন না তা কার্যকর হচ্ছে, তত দিন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব সামলাবেন প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু।

Advertisement

এখন ইওলের ভাগ্য নির্ধারণ করছে সাংবিধানিক আদালতের রায়ের উপর। এই আদালতই স্থির করবে ইওলের অপসারণ বহাল থাকবে কি না। ৩ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় ইওল জানান, তিনি সারা দেশে সামরিক আইন বলবৎ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেন এমন সিদ্ধান্ত নিতে হল তাঁকে, তার ব্যাখ্যাও করেন ইওল। তিনি জানান, উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উনের মদতে ক্ষমতা দখলের ছক কষছে বিরোধীরা। প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে দেশের জনতা। দেশের নানা প্রান্তে শুরু হয় বিক্ষোভ, আন্দোলন। সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পথে নামে গোটা দেশ। শেষমেশ দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের মুখে পড়ে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা প্রত্যাহারও করে নেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.