Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Sri Lanka

শ্রীলঙ্কায় নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরখা, বন্ধের মুখে হাজারের বেশি ইসলামিক স্কুলও, ঘোষণা মন্ত্রীর

সেদেশের মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললেই জারি হবে এই আইন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২১, ১৯:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২১, ১৯:১২

options
link
শ্রীলঙ্কায় নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরখা, বন্ধের মুখে হাজারের বেশি ইসলামিক স্কুলও, ঘোষণা মন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার বোরখা নিষিদ্ধ হতে চলেছে শ্রীলঙ্কায় (Sri Lanka)। শুধু তাই নয়, বন্ধ করে দেওয়া হবে হাজারেরও বেশি ইসলামিক স্কুল। শনিবার এমনটাই জানিয়েছেন সেদেশের জন নিরাপত্তা বিষয়ক (Minister For Public Security) মন্ত্রী শরথ বীরাসেকেরা । ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে সইও করে ফেলেছেন তিনি। এখন কেবল শ্রীলঙ্কার মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষা। সেই অনুমোদন মিললেই সেদেশে বোরখা পরা নিষিদ্ধ হয়ে যাবে। পাশাপাশি বন্ধ হবে ইসলামিক স্কুলগুলিও।

কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত? এই প্রসঙ্গে শরথ বীরাসেকেরা (Sarath Weerasekera) জানিয়েছেন, জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, ”অতীতে আমাদের এখানে মুসলিম মহিলারা কখনওই বোরখা পরতেন না। এটা আসলে ধর্মীয় গোঁড়ামির প্রতীক, যা বর্তমানে হঠাৎ করেই দেখা দিয়েছে। আমরা এটা অবশ্যই নিষিদ্ধ করব।’ এদিকে, হাজারেরও বেশি স্কুল বন্ধের প্রসঙ্গে তিনি জানান, ওই স্কুলগুলি জাতীয় শিক্ষা নীতি লঙ্ঘন করছে, তাই এই সিদ্ধান্ত। তাঁর কথায়, ‘কেউ হঠাৎ করে নিজে থেকে একটি স্কুল খুলে ফেলল, আর বাচ্চাদের যা ইচ্ছে শেখাতে শুরু করল। এটা কখনওই হতে পারে না।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: পাপোশ হয়ে আমাজনে বিকোচ্ছে শ্রীলঙ্কার জাতীয় পতাকা! চিনা সংস্থার কীর্তিতে ক্ষুব্ধ কলম্বো]

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ইস্টার সানডেতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের জেরে সাময়িকভাবে শ্রীলঙ্কায় বোরখা পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। চার্চ ও হোটেলে ঘটা ওই বিস্ফোরণে আড়াইশোরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। জখম হয়েছিলেন আরও অন্তত ৫০০ জন। সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আইএসআইএস এই হামলার দায় স্বীকার করেছিল। এরপর গত বছর করোনা পরিস্থিতিতে ভাইরাসে মৃত রোগীদের জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে দাহ করে সৎকার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা সরকার। সরকারের এই সিদ্ধান্তে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ছিলেন মুসলিম নাগরিকরা। এ নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল শ্রীলঙ্কাকে।

এদিকে, শনিবারই আবার শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি গোটাবায়া রাজাপক্ষের (Gotabaya Rajapaksa) সঙ্গে ফোনে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামিদিনে দু’দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করতে প্রতিনিয়ত আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে রাজি হয়েছেন দু’জনেই।

[আরও পড়ুন: এবার শ্রীলঙ্কায় তৈরি হল বিজেপি! তামিল ব্যবসায়ীর হাত ধরে দ্বীপরাষ্ট্রে গঠিত সংগঠন]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.