Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

শ্রীলঙ্কায় ডামাডোল অব্যাহত, সুপ্রিম রায়ে বড় ধাক্কা সিরিসেনার

শীর্ষ আদালতের রায়ে স্বস্তি বিরোধীদের৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৯, ১৫:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৯, ১৫:৩৬

options
link
শ্রীলঙ্কায় ডামাডোল অব্যাহত, সুপ্রিম রায়ে বড় ধাক্কা সিরিসেনার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপালা সিরিসেনা৷ একই সঙ্গে তাঁর জারি করা দুটি নির্দেশিকা সরাসরি খারিজ করে দিল দ্বীপরাষ্ট্রের শীর্ষ আদালত৷ প্রথম নির্দেশিকাটি হল, পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া এবং দ্বিতীয়টি হল নয়া নির্বাচনের ঘোষণা৷ প্রেসিডেন্টের এই দুই নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল সেদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দল জেভিপি৷ শীর্ষ আদালতের রায়ে অবশেষে স্বস্তি পেলেন বিরোধীরা৷ শীর্ষ আদালতে পরাজয়ের মুখ দেখলেন প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা৷

[৫০০ কিমি গতির বুলেট ট্রেন, জাপানে ছুটছে চালকবিহীন ‘ম্যাগলেভ’]

Advertisement

দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ডামাডোল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে শ্রীলঙ্কায়৷ প্রথমে সেই দেশের ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহকে সরিয়ে দেন প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা৷ নয়া প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন মাহিন্দা রাজাপক্ষকে৷ এখান থেকেই অশান্তির সূত্রপাত হয় দ্বীপরাষ্ট্রটিতে৷ এরপরেই পার্লামেন্টে আস্থা ভোটের দাবিতে সরব হন বিক্রমসিংহ৷ এরপরই শুক্রবার হঠাৎই পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে নয়া নির্বাচনের ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট৷ তিনি জানান, আগামী ৫ জানুয়ারি শ্রীলঙ্কায় নয়া নির্বাচন হবে এবং ১৭ জানুয়ারি হবে নয়া পার্লামেন্টের গঠন৷

[নৈতিকবোধ হারিয়েছেন সু কি, সর্বোচ্চ সম্মান ফেরাল অ্যামনেস্টি]

প্রথম থেকেই প্রেসিডেন্টের এই নির্দেশিকা মানতে নারাজ সেদেশের বিরোধী দল জেভিপি৷ ২২৫ আসন বিশিষ্ট শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টে বিক্রমসিংহের দলের আসন সংখ্যা ১০৬, অন্যদিকে রাজাপক্ষে ও সিরিসেনার দলের সম্মিলিত আসন সংখ্যা মাত্র ৯৫। ফলে তাঁদের অভিযোগ, যেহেতু পার্লামেন্টে ওদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, সেহেতু আস্থা ভোটে হার নিশ্চিত জেনেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট৷ তাঁদের দাবি, এত অল্প সময়ের নির্দেশিকায় আস্থা ভোটের ব্যবস্থা করা সম্ভবপর নয়৷ ফলে তাঁরা শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁরা৷ এতদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী বিক্রমসিংহের দলের সঙ্গে জোট করে সরকারে ছিলেন সিরিসেনার দল৷। কিন্তু গত মাসে জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। তারপরই রাজাপক্ষেকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন সিরিসেনা। একসময় শ্রীলঙ্কার এই রাজাপক্ষেরই মন্ত্রিসভার মন্ত্রী ছিলেন সিরিসেনা। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য রাজাপক্ষের সঙ্গ ত্যাগ করেন। অনেকের মতে, এবার রাজাপক্ষেকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করে সেই ঋণই শোধ করলেন সিরিসেনা৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.